বগুড়া শেরপুরে কৃষকরা ধানের জমিতে দেখছে সোনালী স্বপ্ন

জিয়াউদ্দিন লিটন:
সুজলা সুফলা শস্য শ্যামলা আমাদের এই বাংলাদেশ। গ্রামবাংলার কৃষকেরাএখনসবুজেরসমারোহে সোনালী স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে। এ দেশের কৃষকের সোনালী স্বপ্নহচ্ছেধান। ধানেররং সোনালীতাই কৃষকের স্বপ্ন সোনালী। বগুড়া জেলার শস্য ভান্ডারখ্যাতউপজেলা গুলোর মধ্যে শেরপুর উপজেলাকে অন্যতম শস্য ভান্ডার হিসেবে গণ্য করা হয়। উপজেলার করোতোয়া সংলগ্ন পূর্বাঞ্চল এলাকায় কিছুটা বন্যার প্রকোপ থাকলেও পশ্চিমএলাকায় ধান চাষ আবাদের চিত্র ভিন্ন।
এ উপজেলার ফসলী জমিতে অনেক উর্বরা শক্তি রয়েছে। সে কারণে এ উপজেলায় বছরে দুবার বা কোথাও কোথাও তিনবার ভালো ভাবে ধানের চাষা করা হয়ে থাকে। এর পাশাপাশি রবিশস্যরও চাষ করা হয়। এবারো তার ব্যতিক্রম হয়নি। চলতিআমন মৌসুমে উপজেলায় ১৫ হাজার হেক্টও জমিতে চাষাবাদ করা হয়েছে। এতে উৎপাদনের লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬০ হাজার মেট্রিক টণ ধান। এ উপজেলায় ব্রিধান-৪৯, ব্রিধান-৩৪ ও কাটারিভোগ সহ বিভিন্ন জাতের ধানের চাষাবাদ করেছে কৃষকরা।
সরেজমিনে বিভিন্ন মাঠের ফসলী জমির চিত্র অনেক ভালো দেখা যাচ্ছে। এদিকে ফসলী জমির যথারীতি ভাবে যতœ নিতে ব্যস্ত রয়েছে কৃষকরা। মাজরাপোকা, ছত্রাক ও বালাই দমনে পূর্বপ্রস্ততি রেখেছিলো কৃষকরা। যাতে ভালো ভাবে ফসল উৎপাদন করা যায়। উপজেলার বিশালপুর গ্রামের কৃষক আকবর হোসেন বলেন,আমি ২০ বিঘাজমিতে আমনধানের চাষাবাদ করেছি। কিছুদিন আগে ফসলী জমিতে মাজরাপোকা আক্রমণ করলে কীটনাশক ¯েপ্র কওে মাজরা পোকা দমন করা হয়েছে। এ বিষয়ে কহিতকুলগ্রামের মোঃআমিনুল ইসলামবলেন আমাদেও মাঠে পার্চিংপদ্ধতি তেমন নেই বললেইচলে। আর পার্চিংপদ্ধতি মাজরাপোকা দমনে তেমন উপকারে আসছেনা। তাই কীটনাশক ¯েপ ্রকওে মাজরাপোকা দমন করতে হয়েছে। ভাদ্রা গ্রামের কৃষক নজরুলইসলামবলেন, আমি ৪০ বিঘা জমিতে আমন ধানের চাষাবাদ করেছি। এখন ফসলী জমির চিত্র অনেক ভালো রয়েছে। মাজরা পোকার কবল থেকে ফসলী জমিরক্ষা পেয়েছে। ভবানীপুর গ্রামের কৃষক মখলেছুর রহমান বলেন, আমি ৩০বিঘাজমিতে আমন ধানের চাষাবাদ করেছি। কীটনাশক ¯েপ্র করায় মাজরাপোকা দমন হয়েছে। এখন ফসলীজমি বেশভালো রয়েছে। আর কোনো বালা মুসিবত না হলে আমন ধানের বা¤পার ফলন হবে।

কৃষকের সাথে বেশির ভাগ সময় স¤পৃক্ত উপ-সহকারী কৃষিকর্মকর্তাগণ। এমন একাধিক উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা বলেন, কৃষকের ফসল উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়ে আমরা কৃষকের ধান ক্ষেত দেখে পরামর্শ দিয়ে থাকি। ইতোমধ্যই ধানের গাছ গামোর হয়েছে। ১ মাস পর বাতার কাছাকাছি সময়ে ধান কাটা মাড়াই কাজ শুরু হবে। তখন কৃষকের মুখে হাসি ফুটবে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বলেন, আশা করি এবারো আমন ধানের বা¤পার ফলন হবে। এ উপজেলার কৃষকদেও উৎপাদিত ধান দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হয়ে থাকে। কৃষকরা ধানের ন্যায্য মূল্য পেলে আরো বেশি খুশি হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *