বগুড়া শেরপুরে বি এস টি আই এর অনুমোদনহীন পন্যে ছয়লাব

জিয়াউদ্দিন লিটন, স্টাফ রিপোর্টার।
বগুড়া শেরপুর উপজেলার বিভিন্ন বাজারে বি এস টি আই এর অনুমোদনহীন নিম্নমানের ভোগ্যপন্যে বাজার ছেয়ে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গড়ে উঠেছে প্রায় এক ডজন অননুমোদিত কারখানা। স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর ও ঝুঁকিপূর্ণ উপকরণ দিয়ে নোংড়া ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি করা হচ্ছে নারিকেল তেল, হলুদগুড়া, মরিচ গুড়া, জুস,সেমাই, বিস্কুট, চানাচুর জাতীয় নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী।
এসব ব্যবসায়ীরা কোনো সরকারি নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে তৈরি করছেন এসব ভোগ্যপন্যজাত সামগ্রী। অনুসন্ধানে জানা গেছে, অধিকাংশ কারখানা অনুমোদন ছাড়া প্রতিষ্ঠিত এবং নিম্নমানের পন্য অন্য কোম্পানির লেবেল লাগিয়ে বিএসটিআইয়ের অনুমোদন ছাড়াই বাজারজাত করছে।

নেই বি এস টি আই এর অনুমোদন, নেই পাকেজিং লাইসেন্স, এমনকি নেই পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র। মানুষের খাওয়ার জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এসব ভোগ্যপন্য উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজার ছাড়াও পার্শ্ববর্তী উপজেলাতেও অবাধে পাঠানো হচ্ছে।

সরেজমিনে যেয়ে দেখা গেছে, নিম্ন মানের আটা, হলুদগুড়া, মরিচ গুড়া, অপরিশোধিত নারিকেল তেল, ছয়াবিন তেল, সরিষার তেল, লবন ইত্যাদি বিভিন্ন কোম্পানির নামের লেবেলযুক্ত প্যাকেটে প্যাকিং হয়ে অবাধে বাজারজাত করছে। বি এস টি আই এর অনুমোদন আছে কিনা জানতে চাইলে এবং দেখতে চাইলে দেখা যায় দু/একটি পন্যের অনুমোদন আছে আর বাজারজাত করছে দশ থেকে আঠারোটি পন্যের।
শেরপুর উপজেলা এলাকায় কিছু কারখানায় গিয়ে দেখা যায়, কয়েকজন কোনো ধরনের সেফটি ইকুপমেন্ট ছাড়া ঘরের মেঝের উপর নোংরা ও ময়লাযুক্ত স্থানে ঘামে ভেজা শরীর নিয়ে পা দিয়ে বিস্কুট তৈরীর আটা প্রস্তুত করছে। তার পাশেই কয়েকদিনের পুরোনো কালো তেলে চলছে চানাচুর ভাজার কাজ। রাখা হচ্ছে ময়লাযুক্ত স্থানে।

সচেতন মহল ভেজাল পন্যের বাজারজাতকরণ যেন না হতে পারে সে বিষয়ে প্রশাসনের দৃষ্টি কামনা করেছেন।

এ বিষয়ে বগুড়া বিএসটি আই অফিসে যোগাযোগ করা হলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানান, আমরা আগেও এমন অভিযোগ পেয়েছি অনেক প্রতিষ্ঠানেই অনিয়ম করছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *