বগুড়া শেরপুরে ঠিকাদারের অবহেলায় মাছ চাষীর প্রায় ৩০ লাখ টাকার ক্ষতি! থানায় অভিযোগ

স্টাফরিপোর্টার:বগুড়ার শেরপুর উপজেলা শালফা ভিটারচড় এলাকায় স্থানীয় সরকার কর্তৃক গ্রামীন সড়ক নির্মান কাজে অনিয়ম ও পুর্বে নকশা অনুযায়ী কালভাট নির্মানা না করায় কালভাটের পাশের ৯বিঘা জমির পুকুরের মাছ ভেসে গিয়ে প্রায় ৩০ লাখ টাকার ক্ষতি হওয়া অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ব্যপারে রাস্তা নির্মান কাজের ঠিকাদারের নাজমুল আলম খোকন এর বিরুদ্ধে শেরপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছে মাছ চাষী মো: শাহ আলম।
অভিযোগ সুত্রে জানাযায়,শেরপুর উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের শালফা বাজার থেকে ভিটারচর গ্রামে চলাচলে রাস্তার পার্শ্বে প্রায় ৯ বিঘা জমির সরকারী পুকুর লিজ নিয়ে মাছ চাষ করে আসছেন ব্যবসায়ী শাহ আলম।এই পুকুরে প্রায় ৪০লাখ টাকার পাবদা ও শিং মাছের মাছ চাষ করেছে।
শাহ আলম ও তার ভাই শেরপুর উপজেলা যুবলীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক মো. রফিক জানান-পুকুরের পাশে দিয়ে ভিটারচর গ্রামে যাওয়া আসার রাস্তা সংলগ্ন রয়েছে একটি কালভার্ট। এ রাস্তাটি উন্নয়নের জন্য স্থানীয় সরকারকর্তৃপক্ষ থেকে কাজ চলমান রয়েছে।এর তদারকির দায়িত্বে রয়েছেন ঠিকাদার নাজমুল আলম খোকন। এ রাস্তাটি নি¤œ মানের সামগ্রী দিয়ে কাজ করার অভিযোগ রয়েছে। পুকুরের পাশের কালভাট টি সঠিক ভাবে মেরামতের জন্য আমি নিজে ঠিকাদার নাজমুল আলম খোকন ভাই এর সাথে কয়েক দফা যোগাযোগ করেছি কিন্তু তিনি কোন কথাই আমলে নেননি। বরং উল্টো পাল্টা আশ্বাস দিয়েছে কিন্তু কোন কাজ করেনি।বরং কারভাটটি বালু মাটি দিয়ে ভরাট করে। এতে কালভাট টি মাটির নিচে চাপা পড়ে ধারন ক্ষমতা নস্ট হয়ে যায়। যারফলে গত ১০ জুলাই রাতে ব্যপক বৃষ্টি পাতে মাটির নিজে চাপাপড়া কালভাট ও নতুন পিচ ঢালা রাস্তা ভেঙ্গে গিয়ে আমার পুকরের প্রায় ৩০ লাখ টাকার মাছ ভেসে গেছে। ঠিকাদারের অবহেলার কারনেই এ ক্ষতি হয়েছে।

এ বিষয়ে আমি নাজমুল আলম খোকন ভাইর এর সাথে ব্যক্তিগতভাবে যোগাযোগকরে অনুরোধ করা হলেও তা না মেনে উল্টো আমাকে দেখে নেওয়া হুমকি দিয়েছে।

এব্যাপারে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শালফা গ্রমের একাধিক বাসিন্দা বলেন- এখানে প্রায় ২০ফুট সাইজের একটি কালভাট ছিলো যা গত বছরেই কিছু অংশ ভেঙ্গে গেছে, এ বছরে রাস্তা নির্মান কাজের সময় নতুন করে কালভাট নির্মানের কথা থাকলেও তা আর ঠিক করা হয়নি। বরং কালভাটের উপর দিয়ে বালু মাটি দিয়ে ভরাট করেছে ঠিকাদার। যার কারনে কালভাটি মাটির নিজে চাপা পড়ে।অথচ এটা মেরামতের জন্য সরকারী ভাবে নির্দেশনা থাকলেও তা মানা হয়নি।রাস্তার কাজেও নি¤œ মানের মালামাল ব্যবহার করা হয়েছে।

ভুক্ত ভোগী মাছ ব্যবসায়ী শাহ আলম বলেন-আমি শেরপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি। থানা পুলিশ বিষয়টি সাধারন ডায়েরী করেছে যার নং ৮৫, ১১জুলাই২০২০ইং।
ঠিকাদার নাজমুল আলম খোকনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন-এই রাস্তার কাজ সরকারী ভাবে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। তার পরেও যদি কাল ভার্টের কাজে মেরামত করা প্রয়োজন হয় তা আমি করে দিব।

শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ বলেন-তদন্ত করে আইন গত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *