শেরপুরের মির্জাপুর ওসি এলএসডি কে বদলী করা হলেও অনিয়ম বন্ধ হয়নি !

ষ্টাফ রির্পোটার: বগুড়ার শেরপুর উপজেলার মির্জাপুর সরকারি খাদ্য গুদাম কর্মকর্তাকে অনিয়ম দূর্নীতির দায়ে বদলী করা হলেও গুদামের ভেতরে অনিয়ম বন্ধ হচ্ছে নাঅভিযোগ উঠেছে। খাদ্য বান্ধব কর্মসুচির ট্রাকভর্তি চাউল রাতের আধারে অজানার উদ্দেশ্যে যাবার পথে জনতার হাতে আটক হলেও গোপনে সমঝোতা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বিলন্বে প্রাপ্ত খবরে জানাযায়, গত মাসের প্রথম সপ্তাহে ভোর রাতে মির্জাপুর ২নং সরকারি খাদ্য গুদামের ভেতরে খাদ্য বান্ধব কর্মসুচি প্রায় ১০টন চাল ক্রাসিং এর সাথে বস্তা বদলের সময় ওই ঘটনা প্রকাশ হয়। এ খবরের পর সেখানকার খাদ্য গুদামের কর্মকর্তা মুকুল টুডুকে মির্জাপুর থেকে শাস্তিমূলক রাজশাহীতে বদলী করা হয়। রাতারাতি ঐ ঘটনার সাথে সংপৃক্ত থাকার অভিযোগ উঠলেও ৫ জন দারোয়ানের মাঝে ‘শ‘ অধ্যক্ষরের নামের একজন দারোয়ানকে অজ্ঞাত কারণে বদলী করা হয়নি। এনিয়ে নানা রকম গুঞ্জন উঠেছে সরকারি খাদ্য গুদামের ভেতরে।

অপরদিকে একই ধরনের ঘটনায় ২৪ মে শেরপুরের তা–শ নাম সহ ৩ জন খাদ্যবান্ধব ডিলার প্রায় ১৫ টন চাউল সুবিধা ভোগীদের নিকট থেকে নামমাত্র মূল্যে ক্রয় করে ডিও হওয়ার পরেও ডেলিভারী না নিয়ে প্রায় একসপ্তাহ পরে চাউল গুলো কালো বাজারে জনৈক আমজাদ হোসেনের কাছে বিক্রি করে দেয়। এরপর ট্রাক বোঝাই দিয়ে ধুনটের উদ্দেশ্যে রওনা দেয় রাতের আধাঁরে। এ সময় স্থানীয় জনতা ওই ট্রাক ভর্তি চাউল আটক করলে মির্জাপুরের চিহ্নিত ওই দারোয়ান সহ শেরপুরের ৪/৫ জন মিলে প্রায় লক্ষাধিক টাকা লেনদেনে নয়-ছয় করে বিষয়টি ধাঁমাচাপা দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, অভিযুক্ত কালোবাজারী আমজাদ হোসেন বগুড়ার গাবতলীতে একই ধরনের চাউল নিয়ে অনিয়ম করে ধরাপড়ার কারণে বর্তমানে জেলহাজতে আটক আছেন।

মির্জাপুর খাদ্য গুদামের কর্মকর্তা মো. গোলাম রব্বানী জানান,আমি গত ১৮ মে নওগাঁ জেলা থেকেশেরপুরে এসে মির্জাপুর খাদ্য গুদামের দায়িত্ব নিয়েছি। আমার যোগদানের পর কোন মালামাল কাগজ-কলমে ডেলিভারী হয় নাই। যার ফলে এধরনের ঘটনা আমার জানা নাই। একই সুরে অভিযোগ অস্বীকার করেন অভিযুক্ত ওই দেেরায়ান। যিনি নিজেকে দরোয়ানের পরিবর্তে খাদ্য গুদামের ম্যানেজার হিসেবে পরিচয় দিয়ে থাকেন। শেরপুর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সেকেন্দার মো. রবিউল ইসলাম জানান, মির্জাপুর খাদ্য গুদামের ভেতরে সরকারি মজুদ ঠিক আছে। সেখানে কোন প্রকার অনিয়ম হয়ে থাকলে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। বগুড়া জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রয়ক মো. সাইফুল ইসলাম জানান, আমাদের সরকারি খাদ্য গুদামে কোন প্রকার অনিয়ম হলে সাথে সাথে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

সুত্র:সাপ্তাহিক আজকের শেরপুর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *