দৈনিক দৃষ্টি প্রতিদিন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশেরপর শেরপুর মার্কেট বন্ধ জনমনে স্বস্তি

স্টাফরিপোর্টার:
করোনা আক্রান্ত ফরিদ বাবু আকুতি বগুড়া শেরপুর মার্কেট গুলো দ্রুত বন্ধ করা হোক অন্যথায় পরিস্থিতি ভয়াবহ হতেপারে শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর বগুড়া শেরপুরর সকল মার্কেট বন্ধ ঘোষনা করেছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।
মার্কেট বন্ধ করার ঘোষনায় উপজেলার সচেতন মহলে স্বস্তি ফিরে এসেছে। অনেকেই সাদুবাদ জানিয়েছে নিবাহী কর্মকর্তা লিয়াকত আলী শেখ কে।

এর আগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার ভুমি জামশেদ রানা রাত দিন পরি¤্রম করে করোনা সংক্রান্ত সচেতনা কার্যক্রম পরিচালনায় করেছেন প্রায় ২মাস যাবং। তার পরেও এক শ্রেনীর লোকজন কোন বিধিনিষেধ মানতে চাইছিলো না। ঈদকে সামনে রেখে জনগনের সুবিধার্থে সরকারী নির্দেশনা অনুয়াযী শর্তসাপেক্ষে লক ডাউন কিছুটা শিথিল করা হলে বগুড়ার শেরপুর মাকের্টগুলোতে বেপরোয়া মানুষের চলাচল লক্ষ্য করা যায়। এ নিয়ে বিভিন্ন মন্তব্যর ঝড় উঠেছিলো।

এক পর্যায়ে ১৯ মে ২০২০ রাতে শেরপুরর হাসপাতাল রোডের বাসা থেকে মোবাইল ফোনে করোনা আক্রান্ত আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান শেরপুর উপজেলা শাখার সাবেক যুগ্নসাধারন সম্পাদক সন্তান ফরিদ বাবু দৈনিক দৃষ্টি প্রতিদিন পত্রিকায় ফোন করে বলেন
আমার কোন উপস্বর্গ নেই তারপরেও আমি করোনা আক্রান্ত হয়েছি। আমি নিজেকে স্স্খ অবস্থায় কোন কারন ছাড়াই পরীক্ষা করাই। রিপোর্ট আসছে পজেটিভ।অথচ রিপোর্ট আসার আগে আমি নিজেকে সুস্থ মনে করে বাসার প্রয়োজনে বাজার করেছি। মার্কেট খোলা থাকায় মেয়ের জন্য মার্কেট করেছি। এখন বুঝতে পারছি এসব আমার ঠিক হয়নি।

এ বিষয়ের উপরে একটি সংবাদ পরিবেশন করা হয়। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা করোনা পরিস্থিতির কমিটি আমলে নিয়ে সার্বিক দিক বিশ্লেষন করে দ্রুত ব্যবস্খা নেয়। ২০মে বিকেল ৪টার থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপজেলা সকল মার্কেট বন্ধ ঘোষনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিয়াকত আলী শেখ।

করোনা ভাইরাসের সংক্রম ও বিস্তার ঝুকি থেকে শেরপুরবাসীর বৃহত্তর স্বার্থে জীবন নিরাপত্তা বজায় রাখার স্বার্থে উপজেলার মাকের্টগুলো বন্ধ করায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সহ সংশ্লিষ্ঠ সকলকে ফেসবুক সহ নানা মাধ্যমে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দনসহ সময় উপযোগি সিদ্ধান্ত বলে মন্তব্য করেছেন অনেকেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *