শ্রেণীকক্ষ সংকটে দুই ক্লাস এক রুমে

পাঁচবিবি (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি ঃ
সেই পুরনো আদলেই নানান সমস্যার মধ্যেই দীর্ঘদিন যাবৎ শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে আসছে জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার অজ পাড়ায় অবস্থিত জয়হার আমিনিয়া মহব্বতিয়া দ্বী-মুখী দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষকরা। বর্তমান শিক্ষা বান্দব সরকারের আধুনিকতার ছোঁয়া উপজেলার প্রায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পেলেও এ প্রতিষ্ঠানে এখনও লাগেনি তার ছোঁয়া। প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক অভিভাবক বরাবর শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফলাফল ভালো হলেও অবকাঠামোর উন্নতি হয়নি।

সরেজমিনে দেখাযায়, শ্রেণী সংকটের কারনে একই রুমে দু’জন শিক্ষক বিপরীত মুখী হয়ে দুই শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের ক্লাস নিতে। শনিবার মাদ্রসার প্রথম ক্লাসে তৃতীয় ও পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের পাঠদানের এমন দৃশ্য দেখা যায়। শ্রেণীকক্ষের ব্লাকবোর্ডটি পালাক্রমে উভয় শিক্ষকে ব্যবহার করতে হয়। মাদ্রাসার শ্রেণীকক্ষ গুলোও আকারে অনেক ছোট এছাড়া ব্যাঞ্চ পরিমান মত না থাকায় গাদাগাদি করে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করতে হয়। ১৯৭৫ সালে অত্র এলাকার কিছু শিক্ষা প্রেমিক লোকেরা মাদ্রাসাটি আধা-পাকা টিনের ছাউনি দিয়ে নির্মাণ করেছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে রোদ বৃষ্টিতে ছাউনির টিন গুলো নষ্ট হয়ে বিভিন্ন স্থানে ছিদ্র হয়েছে যা দিয়ে বর্ষায় বৃষ্টির পানি পরে। শ্রেণীকক্ষ গুলোতে নেই কোন সেলিংয়ের ব্যবস্থা ফলে গ্রীষ্মকালে প্রচন্ড তাপে ছাউনির টিনের গরমে শিক্ষক/শিক্ষার্থীদের দূরহ কষ্ট সহ্য করতে হয়। এমনকি শ্রেণীকক্ষ গুলোতে নেই কোন বৈদতিক পাখা। প্রতিষ্ঠানের এতসব দূরাবস্থায় পড়ালেখা তেমন ভাল হয়না ভেবে অভিভাবকরাও তাদের ছেলেমেয়েকে এ প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করাতে চায় না। অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থী শিখা মনি বলেন, আমরা সবাই গ্রীষ্মে গরমে ও বর্ষায় ভিজে ক্লাস করতে হয়।

মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি নিয়ামুল ইসলাম মতিন বলেন, আমি নতুন দ্বায়িত্ব পেয়েছি। তিঁনি আরো বলেন, সরকারি একটি আধুনিক মানের একাডেমি ভবনের জন্য স্থানীয় এমপিসহ সরকারি সকল দপ্তরে যোগাযোগ চালিয়ে যাচ্ছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *