সাতক্ষীরা ভোমরাস্থল বন্দর দিয়ে একদিনে প্রায় দু’হাজার পাসপোর্ট যাত্রীর যাতয়াত

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরে বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস আতঙ্কে জনস্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে ভারত সরকার ১৩ মার্চ- ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত সব ধরনের পাসপোর্ট যাত্রীদের ভারতে প্রবেশে নিষিধাঙ্গা জারি করেছে।তারই পরিপেক্ষিতে,শুক্রবার (১৩ মার্চ) ছিল তার শেষ দিন। দিনভর প্রচন্ড চাপে ১হাজার ৭শ ৯০জন পাসপোর্ট যাত্রী দু’দেশের মধ্যে যাতয়াত করেছে। এরমধ্যে ভারত থেকে ৭শ ৮জন যাত্রী এসেছেন এবং এক হাজার ৮২জন যাত্রী ভারতে প্রবেশ করেছেন। যা অন্যদিনের তুলনায় ৮ থেকে ৯শ জন যাত্রী বেশি।

ভোমরা স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা বাবু বিশ্বজিৎ কুমার নিশ্চিত করে বলেন, বিপুল সংখ্যাক পাসপোর্ট যাত্রীর মধ্যে বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত একজন নিউজিল্যান্ড নাগরিক ভারতে প্রবেশ করেছেন। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা নাগাদ এসব যাত্রীরা যাতয়াত করেন।
তিনি আরো এরপর ভারতীয় ঘোজাডাঙ্গা ইমিগ্রেশন আর যাত্রী গ্রহণ না করায় বন্ধ হয়ে যায়। তবে দিনভর আমদানি রপ্তানি অব্যহত ছিল এবং আমদানি রপ্তানি অব্যাহত থাকবে বলে বন্দর সংশ্লিষ্ট সুত্র জানিয়েছে।

এদিকে হঠাৎ ভারতে যাতয়াত বন্ধের খবরে যাতয়াতকারিদের ব্যাপক তৎপরতা লক্ষ করা যায়। যাতয়াতকারিদের অধিকাংশই চিকিৎসার জন্য ভারতে যাচ্ছেন বলে জানান গণমাধ্যমকর্মীদের।

তবে ভারত থেকে আসা পাসপোর্ট যাত্রীরা অভিযোগ করে বলেন, সেদেশের সীমান্ত বন্দরে করোণা ভাইরাসের পরিক্ষা-নিরীক্ষার কোন ব্যবস্থা নেই। একই সাথে এসব যাত্রীদের কারণে অকারণে হয়রানি করা হচ্ছে বলে জানান তারা।

ভোমরা বন্দরের দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা.অমল চন্দ্র মন্ডল জানান, শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রায় ১৭ হাজার পাসপোর্ট যাত্রীদের তাপমাত্রা দেখা হয়েছে। তবে কোন করোনাভাইরাসের ঝুকি পাওয়া যাইনি জানিয়ে এসমস্ত যাত্রীদের আরও সচেতন হওয়ার পরামর্শ দেন এই চিকিৎসক।

ভোমরা স্থলবন্দরের ইমিগ্রেশন বিভাগের দায়িত্বরত কর্মকর্তা বাবু বিশ্বজিৎ কুমার জানান, পাসপোর্ট যাত্রীদের যাতয়াত স্বাভাবিক আছে। তবে অন্যদিনের তুলনায় চাপ বেড়েছে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের পক্ষ থেকে পাসপোর্ট যাত্রীদের যাওয়া আসার ব্যাপারে কোন দিক নির্দেশনা দেয়া হয়নি।
অর্থাৎ কাল থেকে যাতয়াত হবে কি না তা জানানো হয়নি। তবে ভারতীয় পাশ থেকে মৌখিকবাবে জানানো হয়েছে শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত তারা পাসপোর্ট যাত্রীদের গ্রহণ করবেন। এরপর বন্ধ থাকবে। তিনি আরও বলেন, প্রতিটি যাত্রীর কাগজপত্র কার্যক্রম সম্পন্ন করে তাদেরকে তাপমাত্রা পরিক্ষা করার জন্য বলা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *