পাঁচবিবি টেলিফোন অফিস যেন গো’চারণ

পাঁচবিবি (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি ঃ
জয়পুরহাটের পাঁচবিবি টেলিফোন অফিসটি এখন যেন ভুতরে অফিস ও গো’চারণে পরিনত হয়েছে। গ্রাহকরা এ অফিস থেকে আশানুরুপ সেবা না পেয়ে এবং সবার হাতে মোবাইল ফোন হওয়াতে তেমন আর কেউ খোজও রাখেনা। অনুসন্ধানে জানাযায় ১৬০টি টেলিফোন লাইন থাকলেও উপজেলার অধিকাংশ সরকারি অফিস ও বাসা-বাড়ির লাইন দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে এসব দেখার যেন কেউ নেই। দু’জন লাইনম্যান দিয়েই চলছে অফিসের সকল কার্যক্রম। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছে রাস্তা প্রশস্থকরণ ও পৌর সভার ড্রেন সংস্কার কাজ করার সময় তার কেটে যাওয়ায় এমন সমস্য হতে পারে।

উপজেলার সরকারি অফিসের বন্ধ লাইনগুলোর মধ্যে রয়েছে উপজেলা পরিষদ কার্যালয়, সহকারি কমিশনা (ভুমি), নির্বাচন কমিশন (সার্ভার স্টেশন), সিনিয়র মৎস্য, মাধ্যমিক শিক্ষা, মহিলাবিষয়ক, সমাজসেবা, আনসার ও ভিডিপি, বিআরডিবি, সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার পাঁচবিবি সার্কেল, পাঁচবিবি থানা, ফায়ার সার্ভিস, মহিপুর উপজেলা হাসপাতাল, মহিপুর হাজি মহসিন সরকারি কলেজ, মহিপুর মৎস্য খামাড়, বাজিতপুর মিশন। এছাড়া বেশকিছু অফিসের প্রধান ও ব্যবসায়ীরা বলেন, মাঝে মাঝে কথা বলা গেলেও বন্ধ থাকে অধিকাংশ সময়।

উপজেলা চেয়ারম্যান মনিরুল শহিদ মন্ডলের নিকট জানতে চাওয়া হয় আপনার অফিসের টেলিফোন সংযোগটি বন্ধ না সচল আছে এমন প্রশ্নে তিঁনি বলেন, আমি নির্বাচিত হয়ে প্রথমে ২/১ বার চেষ্টা করেছি কথা বলতে পারিনি আজও পারিনি। সহকারি কমিশনার (ভুমি) এম, এম আশিক রেজা, সহকারি পুলিশ সুপার ইমতিয়াজ আলম ও উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন মন্ডল একই মন্তব্য করে বলেন, অফিসের টেলিফোনে একটা বারের জন্যও কথা বলতে পারিনি। পৌর মেয়র হাবিবুর রহমান হাবিব, থানার অফিসার ইনচার্জ মনসুর রহমান ও সোনালী ব্যাংক পাঁচবিবি শাখার ম্যানেজার, পাঁচবিবি বণিক সমিতির সভাপতি মুদি দোকানী ভরত প্রসাদ গোয়ালা সহ অনেকেই বলেন, মাঝে মধ্যেই এই কথা হয় আবার বন্ধ হয়ে যায়। এসব অফিসের প্রায় সবাই বলেন, অফিসের টেলিফোনে কথা বলা না গেলেও প্রতি মাসে কিন্ত বিল দিতে হয়।

পাঁচবিবি টেলিফোন অফিসের জুনিয়র ম্যানেজার রুহুল আমিন বলেন, ড্রেন সংস্কার করার সময় মাটির নিচ দিয়ে যাওয়া টেলিফোনের তার কাটা পরায় সংযোগ লাইনের সমস্যা হতে পারে। তিঁনি আরো বলেন, গ্রাহক সেবা নিশ্চিত করতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *