উন্নতমানের প্রযুক্তিগত মেশিন নেই , জিজ্ঞাসাবাদের পর যাত্রীদের হাতে এক টুকরো কাগজ

পঞ্চগড় প্রতিনিধি :
ইতিমধ্যে মহামারী রূপ ধারণ করেছে চীনের “করোনা ভাইরাস”। যা অন্যান্য দেশের মত বাংলাদেশেও প্রবেশ করতে পারে বলে আশংকা করছে স্বাস্থ্য বিভাগ। পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে উন্নতমানের প্রযুক্তিগত মেশিন না থাকায়, জিজ্ঞাসাবাদের পর যাত্রীদের হাতে এক টুকরো কাগজ দিয়ে ছেড়ে দেয়া হচ্ছে। চীনের প্রতিবেশী দেশ ভারত, নেপাল ও ভুটান হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের পথ দেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে “করোনা ভাইরাস” বিষয়ক সতর্কতা জারি করেছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। কিন্তু চীনের মহামারী আকার ধারণ করা নোভেল “করোনা ভাইরাস” প্রতিরোধ ও সনাক্তকরণের জন্য বাংলাবান্ধায় মেডিকেল ক্যাম্প স্থাপন করা হলেও “করোনা ভাইরাস” সনাক্তকরণের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম না থাকায় শুধু ২জন স্বাস্থ্যকর্মী দ্বারা জিজ্ঞাসাবাদে চলছে মেডিকেল ক্যাম্পের কার্যক্রম। গত মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ বাংলাবান্ধা ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের একটি কক্ষে মেডিকেল টিমের এ কার্যক্রম চালু করে। তবে মেডিকেল ক্যাম্পে কোন অবিজ্ঞ মেডিকেল অফিসার ও যন্ত্র বা সনাক্তকরণ মেশিন না থাকায় মাত্র একজন সরকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক ও একজন কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে এই মেডিকেল ক্যাম্পটি। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাংলাবান্ধা ইমিগ্রেশন দিয়ে আসা যাত্রীদের মাত্রাতিরিক্ত জ্বর, সর্দি, কাশি, হাচি, শ্বাসকষ্ট, গলা ব্যাথা হচ্ছে কি না তা শুধু জিজ্ঞাসাবাদে চলছে “করোনা ভাইরাস” নির্ণয়। মেডিকেল ক্যাম্পে মাত্র দুটি থার্মোমিটার ছাড়া কোন যন্ত্রপাতি বা মেশিন নেই। তাছাড়া জনজনবল সংকট হওয়ায় কার্যক্রম ধীর গতিতে হওয়ায় বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছে যাত্রীরা। তেঁতুলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক মোকলেছার রহমান জানান, এই লক্ষণগুলোর মাত্রাতীত ভাবে কারো ধরা পড়লে স্বাস্থ্য বিভাগের সহযোগীতায় তাদের নিবির পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *