বগুড়ায় শীতজনিত রোগে আক্রান্ত শিশুদের সংখ্যা বেড়েছে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে দুই মাসের এক শিশুর মৃত্যু

বগুড়া প্রতিনিধি।।
শৈত্যপ্রবাহ ও শীতের তীব্রতা এবং ঠান্ডাজনিত কারনে বগুড়া সহ জেলার বিভিন্নস্থানে নিমোনিয়া ডায়রিয়া আমাশয় সহ বিভিন্ন রোগের প্রার্দুরভাব বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে ঠান্ডাজনিত কারনে বিভিন্ন হাসপাতালে শিশু ও বয়বৃদ্ধরা ভর্তি হচ্ছেন মর্মে কবর পাওয়া গেছে ।
ইত্বমধ্যই বগুড়ার নন্দীগ্রামে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে আবু বক্কর নামে দুই মাসের এক শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। সে নন্দিগ্রাম পৌরসভার রহমান-নগরের শাকিল হোসেনের ছেলে। বৃহস্পতিবার ভোরে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই শিশুর মৃত্যু হয়।
শিশুর বাবা শাকিল হোসেন জানান, প্রচন্ড ঠান্ডায় দুইদিন আগে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয় শিশু আবু বক্কর। পরে তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বৃহস্পতিবার ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে শিশুটির মৃত্যু হয়।
এ দিকে শীতের তীব্রতা ও ঠান্ডাজনিত কারনে বগুড়া জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়ায়সহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে বিভিন্ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও সরকারী হাসপাতাল গুলিতে রোগীদের ভীড় আবারো বেড়েছে।
বিভিন্ন স্থান থেকে প্রাপ্ত খবরে জানা গেছে , গত কয়েক দিন কিছুটা কম হলেও হঠাৎ করেই আবারো বিভিন্ন স্থানে শীত জনিত কারনে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশু ও বয়বৃদ্ধরা । ফলে স্থানীয় সরকারী হাসপাতাল সহ বিভিন্ন ক্লিনিকগুলিতে অস্বাভাবিক ভাবে রোগী ভর্তি হচ্ছে । বিশেষ করে ডায়রিয়া , আমাশয় সহ নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা ।
প্রাপ্ত তথ্য মতে জেলা সদরের বগুড়া শজিমেক হাসপাতাল ও মোহাম্মদ আলী হাসপাতাল সহ জেলার কমপক্ষে ১৪টি সরকারী হাসপাতাল গত শনিবার থেকে বুধবার পর্যন্ত ৩শতাধিক শিশু ঠান্ডা জনিত কারনে ভর্তি হয়েছে। এছাড়া হাসপাতালে সীমিত বেডের কারনে এসব সরকারী হাসপাতালে কমপক্ষে ১৭শত শিশু নিউমোনিয়া সহ শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছে।
এ বিষয়ে হাসপাতাল সংশ্লিষ্ঠ চিকিৎসকরা জানান, শৈত্যপ্রবাহ ও শীতের তীব্রতার কারনে ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে বেশি আসছে। তারা শীতের তীব্রতা ও শীতজনিত রোগ থেকে শিশুদের রক্ষা করতে বাড়তি সতর্কতার পরামর্শ দিয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *