শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান একজন ক্ষণজন্মা মানুষ ছিলেন- প্রফেসর ড. এম রফিকুল

বগুড়া প্রতিনিধি।।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এম রফিকুল ইসলাম বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান একজন ক্ষণজন্মা মানুষ ছিলেন। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা ঘোষণার মধ্য দিয়ে তিনি বাঙালি জাতিকে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার অনুপ্রেরণা দিয়েছিলেন। খুব অল্প সময়ের মধ্যে তিনি বাংলাদেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিশ্বদরবারে একটি মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত হয়। রোববার সকালে টিএমএসএস অডিটোরিয়ামে বগুড়া জেলা বিএনপি আয়োজনে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৮৪তম জন্মদিন উপলক্ষে তাঁর কর্মময় জীবনের উপর আলোচনা সভায় প্রধান আলোচক হিসাবে তিনি এ কথা বলেন।
বগুড়া জেলা বিএনপির আহবায়ক ও বগুড়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য গোলাম মোহাম্মদ সিরাজের সভাপতিত্বে ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আলী আসগর তালুকদার হেনা পরিচালনায় আলোচনা সভায় তিনি আরো বলেন,আমাদের জাতীয় জীবনের প্রতিটি ক্রান্তিকালে বিদ্রোহী কবির ধূমকেতুর মতোই ত্রাতার ভূমিকায় জিয়াউর রহমানের আবির্ভাব ঘটেছিল। তিনি একজন সৈনিক থেকে ক্রান্তিকালে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে যুদ্ধে সরাসরি অংশগ্রহণ, প্রথম নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট এবং সর্বোপরি একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে এদেশের সমৃদ্ধির প্রতিটি ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। জিয়াউর রহমানের সততা ও দেশপ্রেম ছিল সকল প্রশ্নের ঊর্ধ্বে ও ঈর্ষণীয়। তার দেশপ্রেমের প্রকৃষ্ট উদাহরণই হলো ‘বাংলাদেশ’। তার সততা নিয়ে তাঁর চরম শত্রুও কোনো প্রশ্ন তুলতে পারেনি। প্রফেসর ড. এম রফিকুল ইসলাম বলেন, কিন্তু দুর্ভাগ্য আমাদের। আমরা যখন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের জন্মদিবস পালন করছি, তখন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে অন্যায় ভাবে একটা মিথ্যা মামলায় আওয়ামী লীগ সরকার কারাগারে আটকে রেখেছে। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বিদেশি নির্বাসিত করে রেখেছে। দেশটাকে একটা অগণতান্ত্রিক স্বৈরাচারী রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে তারা। বহুদলীয় গণতন্ত্র মানেই তো সবার সমান সুযোগ, তা কি এখন এই দেশে আছে? আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে দেশের সকল গণতান্ত্রিক স্তরগুলোকে সংকুচিত করে ফেলেছে। গণতান্ত্রিক তার্যক্রম সীমিত করে দিয়েছে এবং রাজনৈতিক দলগুলোর স্বাভাবিক কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে। আলোচনা সভায় বিশেষ আলোচক হিসাবে বক্তব্য রাখেন বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও পৌর মেয়র এ্যাড একেএম মাহবুবর রহমান, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও সাবেক এমপি মোঃ হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু, বগুড়া জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ফজলুল বারী তালুকদার বেলাল, বগুড়া জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য রেজাউল করিম বাদশা, জয়নাল আবেদিন চাঁন, অধ্যাপক ডাঃ শাহ মোঃ শাহজাহান আলী, অধ্যাপক ডাঃ মইনুল হাসান সাদিক, এম আর ইসলাম স্বাধীন। আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য লাভলী রহমান, বগুড়া জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য মাহবুবুর রহমান বকুল, আহসানুল হক তৈয়ব জাকির, এ্যাডঃ শাহজাদী লায়লা আঞ্জুমান বানু, হামিদুল হক চৌধুরী হিরু, তৌহিদুল আলম মামুন, এনামুল কাদির এনাম, সহীদ উন নবী সালাম, ওমর ফারুক খান, শেখ তাহা উদ্দিন নাইন, মনিরুজ্জামান মনির, ভিপি পলিন, শাকিলুজ্জামান শাকিল, সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মাফতুন আহমেদ খান রুবেল, জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক আকরাম হোসেন, বগুড়া জেলা যুবদলের আহবায়ক খাদেমুল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মাজেদুর রহমান জুয়েল, যুগ্ম আহ্বায়ক সরকার মুকুল, ছাত্রদলের সভাপতি আবু হাসান, সা: সম্পাদক নূরে আলম সিদ্দিকী রিগ্যান প্রমুখ। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৮৪তম জন্মদিন উপলক্ষে বগুড়া জেলা বিএনপি গৃহিত সপ্তাহব্যাপী কর্মসুচি শুরু হয়েছে। কর্মসূচির প্রথমদিন রোববার সকাল ১০ টায় বগুড়া ড্যাবের আয়োজনে অ্যাজমা কেয়ার সেন্টারে বিনামূল্যে চিকিৎকসা সেবা প্রদান করা হয়। কর্মসুচির উদ্বোধন করেন জেলা বিএনপির আহবায়ক ও সদর আসনের সংসদ সদস্য গোলাম মোঃ সিরাজ। তিনি রোগীদের খোঁজ খবর নেন এবং তাদের মাঝে বিনামূল্যে ঔষধ বিতরন করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারপার্সন এর উপদেষ্টা ও পৌর মেয়র অ্য্যাডভোকেট এ কে এম মাহবুবুর রহমান ও বিএনপির চেয়ারপার্সন এর উপদেষ্টা সাবেক এমপি মোঃ হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু, বগুড়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোশারফ হোসেন, বগুড়া জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক সাইফুল ইসলাম, ফজলুল বারী তালুকদার বেলাল, বিএনপির নেতা রেজাউল করিম বাদশা, আলী আজগর তালুকদার হেনা, জয়নাল আবেদিন চাঁন, লাভলী রহমান, ড্যাব বগুড়া জেলা শাখার সভাপতি অধ্যাপক ডাঃ শাহ মোঃ শাহজাহান আলী, মহানগর সভাপতি অধ্যাপক ডাঃ মইনুল হাসান সাদিক, ডাঃ মোঃ রশিদুল ইসলাম, ডাঃ ইউনুস আলী, ডাঃ আঃ রশিদ, ডাঃ মোঃ জাহিদ হোসেন, ডাঃ জয়নাল, বিএনপি নেতা মাহবুবুর রহমান বকুল, আহসানুল হক তৈয়ব জাকির, এম আর ইসলাম স্বাধীন, হামিদুল হক চৌধুরী হিরু, কেএম খায়রুল বাশার, মাফতুন আহমেদ খান রুবেল ,ওমর ফারুক খান, সহিদ উন নবি সালাম, যুবদলের খাদেমুল ইসলাম ও জাহাঙ্গীর আলম, প্রমুখ। এবং বাদ যোহর বায়তুর রহমান সেন্ট্রাল মসজিদে জেলা বিএনপির আয়োজনে দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *