ভোট আগানো-পেছানোর কোন সুযোগ নেই : ইসি সচিব

স্টাফরিপোর্টার:
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব মো. আলমগীর বলেছেন, আসন্ন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তনের জন্য শাহবাগসহ বিভিন্ন স্থানে শিক্ষার্থীরা কেউ বুঝে, কেউ না বুঝে আন্দোলন করছে। কিন্তু নির্বাচন আগানো বা পেছানোর কোনো সুযোগ নেই।

আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদার কার্যালয়ে চার নির্বাচন কমিশনার, ইসি সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আন-অফিসিয়াল বৈঠক শেষে বুধবার (১৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

আলমগীর বলেন, ‘আগেই তো বলা হয়েছে যে, এটা পরিবর্তন হয় নাই। কারণ আমাদের নির্বাচন কমিশন তো বলেছে যে, সরকারি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ২৯ জানুয়ারি হলো পূজা। ৩০ তারিখে পূজা নাই। আর ১ ফেব্রুয়ারি থেকে এসএসসি পরীক্ষা। তো আমাদের একদিনই সময় আছে ৩০ তারিখ নির্বাচন করা যায়।’

তিনি বলেন, ‘আপনারা জানেন হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ঐক্যপরিষদ হাইকোর্টে রিট করেছিলেন। সেই রিটটি খারিজ হয়ে গেছে। কারণ তারা তাদের যে যুক্তি তা প্রতিষ্ঠা করতে পারে নাই। আদালত নির্বাচন কমিশন কর্তৃক নির্ধারিত তারিখকে যুক্তিযুক্ত মনে করেছেন এবং রিটটি খারিজ করে দিয়েছেন।’

ইসি সচিব বলেন, ‘রিট খারিজের পর তারা জানিয়েছিলেন যে আপিল করবেন। কিন্তু আমরা খোঁজ নিয়েছি এখন পর্যন্ত কোনো আপিল দায়ের হয়নি। যেহেতু আপিল দায়ের হয়নি, অ্যাপিলেড ডিভিশন থেকে কোনো নির্দেশনা আসেনি। অতএব নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত ৩০ তারিখই ঠিক রয়েছে।’

বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ বিষয়ে আন্দোলন শুরু হয়েছে এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন কর্মসূচি দিচ্ছে। এই যে একটা অস্থিরতা তৈরি হল, এতে নির্বাচনে কোনো প্রভাব পড়বে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘প্রভাব পড়ার কথাও না। কারণ কয়েক দিনের মধ্যে তারা বুঝে যাবে যে আন্দোলন করা এটা ঠিক হচ্ছে না। এটা হয়তো বা তারা না বুঝে করছে। এটা বুঝতে হবে স্বরস্বতি পূজা ২৯ তারিখে, নির্বাচন হচ্ছে ৩০ তারিখে, ১ তারিখ থেকে এসএসসি পরীক্ষা। এ জন্য নির্বাচন পেছানোর কোনো সুযোগ নাই। আগানোরও সুযোগ নাই। তো নির্বাচনের জন্য উপযুক্ত হচ্ছে ৩০ তারিখ। আন্দোলন যারা করেছে তারা বয়সে অল্প, নবীন। তারা হয়তো কেউ বুঝে, কেউ না বুঝে করছে। আমার ধারণা একটু পরেই তারা বুঝে যাবে যে এটা ঠিক হচ্ছে না।’

আগামী ৩০ জানুয়ারি ঢাকার দুই সিটির ভোটগ্রহণ করবে নির্বাচন কমিশন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *