বগুড়ার আদমদীঘিতে জায়গা সংকটে ধান কেনা বন্ধ, ফিরে যাচ্ছে কৃষক

বগুড়া প্রতিনিধি ঃ
বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলা সদরের সরকারি খাদ্য গুদামে চলতি রোপা আমন ধান কেনা শুরুর পরই বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে ধান নিয়ে এসে ফিরে যাচ্ছে প্রান্তীক কৃষকরা। জায়গা সংকটে সাময়িক ভাবে ধান কেনা বন্ধ রয়েছে বলে খাদ্য বিভাগ সুত্রে জানা গেছে। একই কারনে ওই গুদামে আমন মৌসুমের চাল কেনা শুরুই করতে পারেনি।
জানা গেছে, কৃষকদের ধানের ন্যায্য মুল্য দিতে সরকার এবারই প্রথম আমন ধান কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রতি কেজি ২৬ টাকা দরে এবার সর্বোচ্চ ৬ লাখ মেট্টিক রোপা আমন ধান কেনা শুরু হয়েছে ২০ নবেম্বর/২০১৯ থেকে। দেশের সব চেয়ে বেশী পরিমান(প্রায় দেড় লাখ মেট্টিক টন) খাদ্য শস্য মজুদাগার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার, নসরতপুর ও উপজেলা সদর এলএসডিতে একযোগে ধান কেনা শুরু হয়। সান্তাহার ও নসরতপুরে ধান কেনা চালু থাকলেও উপজেলা সদর এলএসডিতে এক মাসে ১২২ মেট্টিক টন ধান কেনার পর গত ১৫ দিন ধরে সেখানে ধান কেনা বন্ধ রযেছে। ছোট আকারের পরিত্যক্তপ্রায় সদর এলএসডিতে জায়গা সংকটে ধান কেনা বন্ধ রয়েছে বলে জানিয়েছেন ওই খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আতিকুর রহমান। ফলে কৃষকরা ধান নিয়ে এসে ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছে বলে দাবী করেন ওই খাদ্য কর্মকর্তা।
এ ব্যাপারে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক পরিতোষ কুমার কুন্ডু ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এই সমস্যা শুধু আদমদীঘি সদর এলএসডি নয়; সারা দেশেই রয়েছে। তবে আগামী সপ্তাহে এই গুদামে মজুদ চাল অন্যত্র সরিয়ে নেয়ার কর্মসুচি শুরু হতে পারে। মজুদ চাল সরিয়ে নেয়া হলে আগের মত ধান কেনা সম্ভব হবে। শুধু ধান নয়, আমন চাল কেনাও শুরু করা হবে। উপজেলা সদর এলএসডি ছাড়া দেশের সব চেয়ে বড় (১৮হাজার মেট্টিক টন) সান্তাহার এলএসডি এবং দেড় হাজার মেট্টিক টনের নসরতপুর এলএসডিতে ধান কেনা অব্যহত রয়েছে। এদিকে প্রায় ৭৮ হাজার মেট্টিক ধারণ ক্ষমতার সান্তাহার সিএসডিতে বিপুল পরিমান জায়গা থাকলেও সেখানে ধান কেনার অনুমতি নেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *