বগুড়া শেরপুরে মিল চাতাল ভিত্তিক সিদ্ধ চালের বিভাজন অনিয়মের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন

স্টাফরিপোর্টার:বগুড়া শেরপুর চলতি ২০১৯ / ২০ আমন মৌসুমে মিল ভিত্তিক সিদ্ধ চালের বিভাজনে অনিয়মের অভিযোগ ওঠার বিষয়ে  তদন্ত কমিটি করে সঠিক ভাবে বিভাজনের জন্য নতুন করে মিল চাতালের অবকাঠামো ও ধারন ক্ষমতা পাক্ষিক সক্ষমতা সকল দিক সঠিক যাচাই বাছাই করতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার কে সভাপতি করে ৫সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিষয় টি নিশ্চিত করেছে উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা অফিসার লিয়াকত আলী শেখ। কমিটিতে অন্যন্যরা হলেন-উপজেলা পরিসংখ্যান অফিসার সুজন কুমার ,উপজেলা প্রোগ্রাম অফিসার মো. আল আমিন, উপসহকারী কৃষি অফিসার মাসুদ রানা ও খাদ্য কর্মকর্তা।


জানাগেছে, বগুড়া শেরপুর উপজেলায় প্রায় ৫১৭ টি অটো সেমি অটো রাইস মিল চাতালের লাইসেন্স রয়েছে। ,অকোজো বয়লার , মিলে অপর্যাপ্ত সরবরাহ ব্যবস্থা, নিয়ম অনুয়াযী ধারন ক্ষমতা না থাকায় ,সেমি অটো রাইস মিলের অনিয়ম, মাঠ জরিপ সার্ভেতে অবকাঠামো ঠিক না থাকা ও একটি মিল একাধিক নামে লাইসেন্স নেওয়া, লাইসেন্সের শর্ত না মানা প্রায় ১৬৫টি মিল চাতালের লাইসেন্স বরাদ্দ স্থগিত করা হয়েছে। বিষয়ে দৈনিক দৃষ্টি প্রতিদিন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর নড়ে চড়ে বসেছে উর্দ্ধতন কতৃপক্ষ।

এ ছাড়াও অটো রাইস মিল মালিক সমিতির কতিপয় সদস্য ও খাদ্য কর্মকর্তার যোগসাজশে বেশ কিছু রাইস মিলের সঠিক ধারন ক্ষমতা ও কাগজ পত্র সঠিক থাকা সত্বেও তাদের নামে কোন বরাদ্ধ না দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। অনেক যোগ্য সম্পন্ন মিল সেমি অটোমিল মালিকরা এ বরাদ্ধ থেকে বাদ পড়েছে। অথচ একই ব্যক্তির এক টি মিল চাতালের বিপরীতে ৩ থেকে ৪ টি লাইসেন্স নিয়ে সেই সকল মিলের নামে বরাদ্ধ পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এমনকি সমিতির একজন নেতার নিজ নামে একাধিক লাইসেন্স এর বরাদ্ধ ও তার আতœীয় স্বজনের নামে বে নামে মিল চাতালের রয়েছে পর্যাপ্ত বরাদ্ধ। ঘটনাটি জানজানি হওয়ায় ফুসলে উঠেছে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।
এদিকে উপজেলার কয়েকটি উল্লেখ যোগ্য অটো রাইচ মিল মালিকের মত বিশ্বাস রাইস মিল দীর্ঘ দিন ধরে সুনামের সাথে ব্যবসা করে আসলেও এ বছরের বিভাজনের তালিকায় তাদের নাম না থাকায় হতাশ প্রকাশ করেছে।

এ বিষয়ে গত ২২ ডিসেম্বর শেরপুর উপজেলার প্রায় ৩শতাধিক মিল চাল কল মালিকরা উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তার অফিস যোগাযোগ করলে কোন সঠিক সমাধান না হওয়ায় পরবর্তীতি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ হস্তক্ষেপে উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তাকে সভাপতি করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে কর্তপক্ষ।

এদিকে মিল মালিকরা বলছে- বর্তমান উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা নতুন এসেছে এর আগে খাদ্য কর্মকর্তা হারুন সাহেবের আমলে সবচেয়ে বেশি ভয়াবহ অনিয়ম হয়েছে। আতপ লাইসেন্স সহ বড় বড় অনিয়ম সে সময়ই বেশি হয়েছে।এখন সেই কাজের রেশ পড়তে শুরু করেছে ।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একটি সুত্র বলছে- মিল চাতাল মালিকদের থেকে বিশেষ সুবিধা নিয়ে ধান চাউলের বরাদ্ধ , নতুন নতুন লাইসেন্স এর নিয়ম বহিৃভুত ভাবে অনুমোদনে ও পাক্ষিক ধারন ক্ষমতার থেকেও বেশি বেশি দেখিয়ে টন প্রতি চুক্তি করে অর্থ আদায়ের ও ঘটনা ঘটেছে এ উপজেলাতেই। আশাকরি তদন্ত কমিটির মাধ্যমে সব বেড়িয়ে আসবে। সঠিক যাচাই বাছাই করে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা উপকৃত হবে।

মিল চাতাল মালিক সমিতির সাধারন সম্পাদক আব্দুল হামিদের সাথে কথা হলে তিনি বলেন-অনিয়ম হোক এটা আমরাও চাই না। উপজেলার সকল মিল চাতাল মালিদের নিয়ে একটি সুষ্ঠ বন্টন হোক। তদন্ত কমিটির মাধ্যমে প্রকৃত ব্যসায়িরা সুযোগ পাবে।

এ বিষয়ে উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা সেকেন্দার রবিউল ইসলাম বলেন-অনিয়মের কোন সুযোগ নেই । পুনরায় প্রতিটি রাইস মিল কারখানা জরিপ করে তদন্ত কমিটির মতামত নিয়ে সঠিক ভাবে বিভাজন তৈরী করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *