শেরপুরে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার : বগুড়ার শেরপুরে কর্মসৃজন, ১০টাকায় রেশন কার্ড, মাতৃত্বকালীন ভাতাসহ বিভিন্ন প্রকল্পে উপকারভোগীতে নাম অর্ন্তভূক্ত থাকলেও একই ব্যাক্তিদের নামে নিয়ম বর্হিভূতভাবে অনৈতিক সুবিধা নিয়ে ভিজিডি কার্ডের তালিকা চুড়ান্ত করছে ইউপি চেয়ারম্যান। এমনই অভিযোগ উঠেছে শেরপুরে সুঘাট ইউপি চেয়ারম্যান আবু সাইদ সেখের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন এক আওয়ামীলীগ নেতা।

জানা যায়, উপজেলার সুঘাট ইউনিয়নের মধ্যভাগ গ্রামের ধনাঢ্য রফিকুল ইসলামের স্ত্রী বিলকিছ খাতুন ( আইডি নং ১০০৯১৩৩৯৯০), বিমল চন্দ্র দাসের স্ত্রী দিপালী রাণী দাস (আইডি নং ১০১৮৮৯৫০০৯২৫২), মাধব চন্দ্র দাসের স্ত্রী মাধবী দাস (আইডি নং ৩৭৪৭০০৫৩৮১) সরকারি ৪০ দিনের কর্ম সৃজন, ১০ টাকা চালের কার্ড ও মাতৃত্বকালীন ভাতার কার্ড রয়েছে। নামীয় ব্যক্তিদের নামে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবু সাইদ সেখ অনৈতিক সুবিধা নিয়ে তাদেরকেই আবারো ২ বছরের জন্য প্রতি মাসে ৩০ কেজি চালের ভিজিডি কার্ড করে দিয়েছেন। এ ঘটনায় স্থানীয় সরকারে অনুকুলে বরাদ্দকৃত সকল সুবিধাভোগী ব্যক্তিদের কার্ড বাতিল করে গ্রামের অসহায় ও দুস্থ ভাতাবিহীন ব্যক্তিদের নামে উপকারভোগীর কার্ড দেওয়ার জন্য একই গ্রামের মৃত সমশের আলীর ছেলে সমাজসেবক ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতা আকবর আলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান আবু সাঈদ সেখ অনৈতিক সুবিধার কথা অস্বীকার করে বলেন, বিষয়টি ভিত্তিহীন। তারপরেও উপজেলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বিষয়টি দেখভালের করছেন, একই ব্যক্তির নামে দ্বৈত উপকারভোগীর নাম থাকলে কর্তন করবেন।

এ প্রসঙ্গে শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. লিয়াকত আলী সেখ অভিযোগ প্রাপ্তির সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এ বিষয়ে তদন্তপূর্বক প্রতিবেদনের জন্য উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তাকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *