সিরাজদিখানে রাস্তার মাঝখানে ঝুকিপূর্ণ বৈদ্যুতিক খুঁটি, দুর্ঘটনার আশঙ্কা স্থানীয়দের!

সিরাজদিখান (মুন্সিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ সম্প্রতি মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার রশুনিয়া ইউনিয়নের উত্তর তাজপুর-রশুনিয়া শাখা সড়কের মাঝখানে পুরাতন বৈদ্যুতিক খুঁটি রেখেই রাস্তা পাকা করণের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে।

জনসাধারণের চলাচলের জন্য রাস্তাটি পিচ ঢালাই দিয়ে পাকা করা হলেও রাস্তার মাঝখানে থাকা পল্লী বিদ্যুতের চারটি খুঁটি রাস্তা পারাপারে স্থানীয় লোকজনের গলার কাটা হয়ে দাড়িয়েছে। এমনকি অটো রিকশা, ইজিবাইক ও রিকশা চালকসহ স্থানীয় লোকজন রাস্তার মাঝ বরাবর খুঁটিগুলোর কারণে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার উত্তর তাজপুর গ্রামের জনৈক জাহের শেখের বাড়ী সংলগ্ন ব্রীজ থেকে রশুনিয়া ষ্ট্যান্ড পর্যন্ত রাস্তা দিয়ে প্রতিনিয়ত ইজিবাইক ও রিকশাসহ বিভিন্ন যান চলাচল করছে।

দীর্ঘদিন অবহেলিত থাকার পর সম্প্রতি ওই রাস্তাটি পিচ ঢালাই করে পাকা করা হয়। রাস্তাটি পাকা করণের সময় ঝুঁকিপূর্ণ বৈদ্যুতিক খুঁটিগুলো অন্যত্র স্থানান্তর করার জন্য উদ্যোগ নিতে দেখা যায় নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে। একারণে রাস্তা পাকা করণের পরও খুঁটিগুলো রাস্তার মাঝখানেই রয়ে যায়। এছাড়া রাস্তার মাঝখানে খুঁটিগুলো থাকায় ইতোমধ্যে ছোটখাটো বেশ কয়েকটি দুর্ঘটনা ঘটে বলেও জানা যায়।

বৃহস্পতিবার (২৮ জানুয়ারী) বিকেলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উত্তর তাজপুর গ্রামের মাহসিন সরদারের বাড়ী সংলগ্ন রাস্তায় ২ টি এবং সাবেক ইউপি সদস্য নইমের বাড়ী সংলগ্ন রাস্তার মোড় ও মোড় সংলগ্ন রাস্তায় ২ টি পূর্বের স্থাপন করা হাই ভোল্টেজের বৈদ্যুতিক তারের সংযোগসহ ৪ টি খুঁটি রাস্তার মাঝ বরাবর দাড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। স্থানীয় লোকজন রাস্তার মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকা ঝুঁকিপূর্ণ বৈদ্যুতিক খুঁটিগুলো দ্রুত স্থানান্তরের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

রশুনিয়া ২নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মো. মোমরেজ বলেন, রাস্তার কাজ চলার সময় এলাকাবাসী আমাকে জানায় নি। জানালে খুটিগুলো সরানোর জন্য আমি কোন না কোন ব্যবস্থা নিতাম। যখন রাস্তার কাজ চলে তখনও কেউ কোন অভিযোগ জানায়নি। এছাড়া যারা রাস্তার কাজ করে গেলো তাড়াওতো খুটিগুলো সরাতে কোন ব্যবস্থা নিতে দেখলাম। বিষয়টি সমাধানের জন্য আমি আপনাদের সহযোগী তাই। খুটিগুলো সরাতে পারলে অনেকেই ভোগান্তি থেকে মুক্তি পেতো।

এ ব্যপারে পল্লী বিদ্যুত সিরাজদিখান জোনাল অফিসের ডিজিএম খোন্দকার মোশারফ হোসেন জানান, বিষয়টি আমার জানা নেই। সরেজমিনে গিয়ে দেখার পর প্রয়োজনী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *