মোহাম্মদ রোমান হাওলাদার,  : মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলায় আলু ক্ষেতের পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। চলতি বছর উপজেলার ১৪ টি ইউনিয়নে ৯ হাজার ৩ শত ৫০ হেক্টর জমিতে আলু আবাদ করা হয়েছে। প্রচন্ড শীত থাকায় আলুর বাম্পার ফলনের আশা ব্যক্ত করেছেন উপজেলার হাজারো কৃষক।

উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বিস্তৃর্ণ ফসলী মাঠ জুড়ে এখন আলু গাছের পাতার সবুজ রঙের চোখ ধাঁধালো বর্ণিল সমারোহে ছেয়ে গেছে। ভোরের বিন্দু-বিন্দু শিশির আর সকালের মিষ্টি রোদ ছুঁয়ে যায় সেই সবুজ পাতাগুলোকে। অপরূপ প্রকৃতিক সৌন্দর্য্য সত্যিই মনকে মুগ্ধ করে তোলে। বিগত বছরগুলোতে আলুতে ব্যপক লোকসান হওয়ার পরও এ বছর এ অঞ্চলের আলু চাষিদের আলু আবাদে বিন্দু মাত্র আগ্রহ কমেনি। মৌসুমের শুরু থেকেই আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় আলু আবাদে কৃষকরা অনেকটা নিশ্চিতে আলু ক্ষেতের পরিচর্যা করে যাচ্ছেন।

তবে আবহাওয়া অনকূলে থাকলেও উপজেলার কিছু কিছু এলাকার আলু ক্ষেতে অজ্ঞাত রোগ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এ কারণে আলু গাছ ঢলে গিয়ে কিছু কৃষক ক্ষতির সম্মূক্ষিন হয়েছেন। এ বছর উপজেলার ৯ হাজার ৩ শত ৫০ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন প্রজাতির আলুর চাষ হয়েছে বলে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা যায়। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে দেখা গেছে, এরই মধ্যে ক্ষেতে পানি দেওয়ার কাজ করছেন আলু চাষিরা। আবার কেউ দিচ্ছেন রাসায়নিক সার। কেউ বা ছত্রাক, রোগ-বালাই ও ঘন কুঁয়াশার হাত থেকে ফসল বাঁচাতে কীটনাশক স্প্রে করছেন। কৃষকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এ বছর আলু রোপণ করার পরে শীত বেশী পড়ায় আলুর বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে।

উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. মোশারফ হোসেন জানান, এ বছর সিরাজদিখানে ৯ হাজার ৩ শত ৫০ হেক্টর জমিতে আলু রোপন করা হয়েছে। নিয়মিত কৃষকদের আমরা পরামর্শ দিচ্ছি। বর্তমানে যে রোগের কথা জানতে পেরেছি সেটি মূলত কোন রোগ না। বীজ বাহিত কিছু সমস্যা থাকে। সে কারণে কিছু গাছ ঢলে যায়। পানি দেওয়ার পর এ সমস্যাটা আর থাকে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *