শেরপুরে সম্পদ রক্ষা করতে প্রশাসনের সহায়তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন

স্টাফরিপোর্টার:
বগুড়ার শেরপুরে ভূমিদস্যুদের হাত থেকে বাঁচতে ও ভূমিদস্যুতা রোধে প্রশাসনের সহায়তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী শেরপুরের রামচন্দ্রপাড়ার মৃত আব্দুল ওয়াহেদ ছেলে এহ্ছানুল কবীর বাবু।
গত রোববার সন্ধ্যায় সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্যে এহ্ছানুল কবীর বাবু বলেন, আমি রামচ›ন্দ্রপুর পাড়ার মৃত আব্দুল ওয়াহেদ ছেলে আমি ওয়ারিশ সুত্রে প্রাপ্ত হয়ে শহরের বানিজ্যিক বিপনী প্রতিষ্ঠান উত্তরাপ্লাজা সংলগ্ন ১৪ শতক জায়গায় দোকানপাট ভাড়া দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছি। উক্ত জমি আমার পিতামহের সকল ওয়ারিশগনের সহিত ১ম যুগ্ম আদালত বগুড়ায় ১৪৩/২০০৭ মামলায় সোলে সুত্রে প্রাথমিক ডিক্রি হয়। তৎপরবর্তীতে ফাইনাল ডিক্রী এবং ৩/১৩ মামলায় ডিক্রী জারীও হয়। উক্ত জমিতে জেলা জজ আদালত, বগুড়ায় ৩৩/১১ মিস আপিল মামলায় প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ আদালত নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, আমার পিতা আব্দুল ওয়াহেদ ১৯৮৯ সালে মৃত্যুবরণ করার পর ২০০০ সালে আমার চাচা আব্দুর রহিম (স্বত্বাধিকারী উত্তরাপ্লাজা) গন্যমান্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে এলাকায় শালিশী বৈঠকে আমার বিমাতা জয়নব বিবি ও ভাই ইমরান হোসেন আমার পৈত্ত্বিক সম্পত্তি বন্টন করে দেয়। পরবর্তীতে ওই বন্টননামা অমান্য করে জয়নব বিবি ও তার স্বামী আব্দুল মজিদ আমাদের বিরুদ্ধে বগুড়া জজ আদালতে মামলা নং ১৪৩/২০০৭ (বন্টন) করে। এবং পাশাপাশি প্রতিপক্ষরা আমাদের সম্পত্তি গ্রাস করার লক্ষে ভূয়া কাগজপত্র, মাঠ রেকর্ড (২০১৮), ডিপি খতিয়ান (২০১৮), খারিজ (হোল্ডিং নং ৬২১৬) এবং ভূয়া হাল দাগ ২৯৯৯ সৃষ্টি করে। পরবর্তীতে আপিলের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন তাদের ভূয়া কাগজ বাতিল করে।
অথচ প্রতিপক্ষের দলিলে উল্লেখিত দাগের সাথে আমাদের হাল দাগ ২৯৩৪ সম্পূর্ণ আলাদা। প্রতিপক্ষরা ভূয়া দলিল নিয়ে আমাদের স্বত্ত্ব দখলীয় সম্পত্তি বিগত ২০১১ সালে বেদখল করার চেষ্টা করলে স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে তা বন্ধ হয়। পরবর্তীতে আমরা ভুয়া দলিল সৃষ্টিকারীর বিরুদ্ধে বগুড়া জজ আদালতে ৩৩/১১ মিস আপীল দায়ের করলে বিজ্ঞ আদালত প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার আদেশ জারী করায় অদ্যবধি বলবৎ রয়েছে।
আমাদের স্বত্ব দখলীয় সম্পত্তিটি সীমানা প্রাচীর দেই। প্রতিপক্ষ জয়নব বিবি, তার স্বামী আব্দুল মজিদ ও ছেলে ইমরান হোসেন মিলে আমাদের ওই সম্পত্তি পূনরায় বেদখল দেয়ার পায়তারা স্বরূপ ভূয়া দলিলের মাধ্যমে আমাদের জমি বিক্রয় করে অর্থ লোপাট করছে।
এদিকে প্রকৃত ও মুল কাগজপত্র ধারী হয়ে আমরা ওই জমিতে ঘর/দোকান নির্মাণ কাজ করতে গেলে প্রতিপক্ষরা শহরের কিছু দুস্কৃতকারীদের মাধ্যমে কাজে বাধাসহ নানা হুমকি-ধামকি দিয়ে আসছে।
এ ঘটনায় ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থাসহ তফশীলী জমির প্রকৃত মালিকদের রক্ষা করতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *