পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে জানে আলম খোকা অংশ নেবেন

মেয়র পদে বর্ষীয়ান জননেতা জানে আলম খোকা, অংশ নেবেন এমন ঘোষণায় দৃশ্যপট পাল্টে গেছে শেরপুর প্রথম শ্রেণীর পৌরসভার আসন্ন সাধারণ নির্বাচনে আগাম প্রচারনায়। গতকাল রবিবার শেরপুর পৌরসভার আসন্ন সাধারণ নির্বাচনে মেয়র ও কাউন্সিলর মহিলা সদস্য পদে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সম্ভাবনাময় প্রার্থীরা পৃথক পৃথকভাবে শোডাউন প্রদর্শন এবং শারদীয়া দুর্গাপূজা উপলক্ষে মণ্ডপে মণ্ডপে গমন ও সহায়তা মাধ্যমে শেরপুর পৌরসভার সাধারণ নির্বাচনের বার্তা জানান দিলেন। সম্ভাবনাময় প্রার্থীরা শেরপুর পৌরসভার সাবেক জনপ্রিয় চেয়ারম্যান মরহুম গাজীউর রহমানের সুযোগ্য পুত্র বর্ষীয়ান জননন্দিত জননেতা পৌরসভার বারবার নির্বাচিত সাবেক জনপ্রিয় মেয়র জনাব জানে আলম খোকা আসন্ন সাধারণ নির্বাচনে মেয়র পদে অংশ নেবেন এমন ঘোষণায় উৎসাহ-উদ্দীপনা আনন্দ প্রকাশ করতে দেখা গেছে জানে আলম খোকা সমর্থকদের মাঝে। ১৯৮০ সাল থেকে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত শেরপুর পৌরসভার যতগুলো সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে তার ব্যতিক্রম নির্বাচন হতে যাচ্ছে ২০২০ সালের আসন্ন শেরপুর পৌরসভার সাধারণ নির্বাচনে মেয়র পদে নির্বাচন করতে যাদের নাম শোনা যাচ্ছে তারা হলেন বর্তমান মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আব্দুল সাত্তার, সাবেক পৌর মেয়র জননন্দিত জননেতা জনাব জানে আলম খোকা, বিশিষ্ট শিল্পপতি মোঃ সরোয়ার রহমান মিন্টু, উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবীব আম্বিয়া, যুবনেতা তরিকুল ইসলাম তারেক, সাবেক মেয়র শ্রী স্বাধীন কুমার কুন্ডু প্যানেল মেয়র মোঃ নাজমুল আলম খোকন কাউন্সিলর বদরুল ইসলাম পোদ্দার ববি প্রমূখ ব্যক্তিদের নাম শোনা গেলেও শেরপুর পুরো শহরের আনাচে কানাচে চায়ের দোকান বাস স্ট্যান্ড অফিস ব্যাংক বীমা ও জনবহুল স্থানে অবস্থিত তাদের মুখে যাদের নাম শোনা যাচ্ছে তাদের মাঝে সর্বাধিক গুরুত্ব পাচ্ছে সাবেক জনপ্রিয় পৌর মেয়র জননন্দিত জননেতা জানে আলম খোকা। শেরপুর প্রথম শ্রেণীর পৌরসভার আসন্ন সাধারণ নির্বাচনে জননন্দিত জননেতা জানে আলম খোকা অংশ নিবেন এমন প্রত্যাশা সুধী মহলের ও সাধারণ ভোটারদের। তারা চাইছেন বিগত দিনের ন্যায় পুনরায় বর্ষীয়ান জননেতা জানে আলম খোকা পুনরায় মেয়র হিসাবে অসম্পূর্ণ উন্নয়ন সম্পন্ন করুক। উল্লেখ করা যায় বগুড়া জেলার শেরপুর ধুনট উপজেলার আজকের প্রতিষ্ঠিত বিএনপি এবং স্থানীয় নেতারা তারা কোন সময় জনাব জানে আলম খোকা মালিকানাধীন রঙ্গিলা সিনেমাহলের অর্জিত অর্থের জীবিকা নির্বাহ এবং পরিবারের ভরণপোষণ করে সক্রিয় রাজনীতি করার সুযোগ একমাত্র মরহম গাজীউর রহমানের পরিবার এবং তার জ্যৈষ্ঠপুত্র জনাব জানে আলম খোকার কারণে সম্ভব হয়েছে বলে জানান অনেক তৃণমূল নেতাকর্মীগণ। ১৯৮৫/৮৬ সালে শেরপুর কলেজ ছাত্র সংসদ নির্বাচনে জনাব জানে আলম খোকা প্রায় ৫০০০ ছাত্র-ছাত্রীদের তিন মাসের বেতন প্রদান করে নির্বাচনে ভোটার হওয়ার সুযোগ করে দেওয়া সেই সংসদ নির্বাচনে বিএনপির ছাত্র সংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল মনোনীত প্যানেল মোঃ রফিকুল ইসলাম মিন্টু ভিপি ও শাহ আলম পান্নার হিসাবে নির্বাচিত হওয়ার পর বগুড়া জেলার উচ্চ বিদ্যা পীঠ সরকারি আজিজুল হক কলেজ শাহ সুলতান কলেজ ছাত্র সংসদ নির্বাচনে প্রথমবারের মতো জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের প্যানেলের বিজয় ঘটে। শেরপুর ধনুট উপজেলায় বিএনপির ছাত্র সংগঠন ছাত্রদল শেরপুর কলেজ ছাত্র সংসদের নির্বাচিত হবার পর আজকে বসিয়া বসিয়া জননেতা জনাব জানে আলম খোকা ৮০ দশকে শেরপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হন। তিনি একমাত্র পৌরসভার নির্বাচিত চেয়ারম্যান যার বয়স সমগ্র বাংলাদেশে নির্বাচিত চেয়ারম্যান গুলোর মধ্যে কম বয়সীর। এত তরুণ বয়সে পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে বিএনপি রাজনৈতিক কার্যক্রম প্রসারিত করার জন্য তৎকালীন ছাত্র নেতাদের বসবাস ও পরিবার পরজনের খাদ্য দ্রব্যের যোগান দেওয়ার কারণে তারা আজ শেরপুর উপজেলায় বিএনপির নীতি নির্ধারক হতে পেরেছেন মরহম গাজীউর রহমানের পরিবার এবং তার জন্য পুত্র জনাব জানে আলম খোকা না থাকলে কমিউনিস্ট পন্থী রাজনৈতিক দলগুলোর মতোই ভাগ্য বরণ হত হত আজকের জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল বিএনপির। শেরপুর ও শেরপুর ধুনট উপজেলার কার্যক্রম অঙ্ক বিনষ্ট হয়ে যেত আজকের বৃহত্তর রাজনৈতিক দল বিএনপির। তাই শেরপুর প্রথম শ্রেণীর পৌরসভার ভোটাররা জনাব জানে আলম খোকা কে মেয়র হিসাবে তাদের মাঝে পেতে যাচ্ছেন। তিনি যে ব্যানারেই আসুক না কেন সাধারণ মানুষের দাবি তিনি আসন্ন সাধারণ নির্বাচনে মেয়র পদে অংশগ্রহণ করুন এশিয়ান এই নেতা জনাব জানে আলম খোকার পক্ষে গত ২৫/১০/২০২০ তারিখে স্থানীয় বিএনপির মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন শেরপুরবাসী অপেক্ষা করছে কি সিদ্ধান্ত নেয় বিএনপি তা দেখার জন্য। সরেজমিনে সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায় বিএনপি শেরপুর নীতিনির্ধারকরা যাই করুক না কেন তার সুদূর প্রসারিত কুফল তাদেরই ভোগ করতে হবে কেননা বর্ষীয়ান জননেতা জনাব জানে আলম খোকা শেরপুর বাসীর বিশ্বাস আস্থাশীল নেতা হিসেবে নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন স্বাধীনতার পর আওয়ামী লীগে আলহাজ্ব জনাব মজিবর রহমান মজনু ও বিএনপিতে জানে আলম খোকা অবস্থা এত গভীরে শেরপুর পৌরসভার মেয়র কাউন্সিলর বা পদে পদে যেই নির্বাচিত হতে থাকনা কেন জনাব মজিবর রহমান মজনু ও জানে আলম খোকা আশীর্বাদ ছাড়া কোনভাবেই সম্ভব না। ২০১০ সালের পর শেরপুর পৌরসভা যে দুইজন মেয়র স্বাধীনতার কুন্ডু ও বর্তমান মেয়র মোঃ আব্দুস সত্তার দায়িত্ব পালন করলেও তাদের রাজনৈতিক ভিত্তি এত গভীরে নয় যে মজিবর রহমান মজনু ও জানে আলম খোকা সংশ্লিষ্ট ছাড়া আসন্ন নির্বাচনে তরী পার করতে পারবে আর যদি বর্ষীয়ান জননেতা জনাব জানে আলম খোকা মেয়র পদে প্রার্থী হন তাহলে পৌরবাসীর হিসাব তাকে কেন্দ্র করেই হবে বলে জানান সুধীমহল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *