বগুড়ার শেরপুরে ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউএনও অফিসের কর্মচারীর বিরুদ্ধে সরযন্ত্র

স্টাফ রিপোর্টার:

বগুড়ার শেরপুরে গাড়িদহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ দবিরউদ্দিন এর বিরুদ্ধে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণ ও বগুড়ার শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অফিসের অফিস সহকারি কাম কম্পিউটার অপারেটর মো. সেকেন্দার আলী (৫৫) এর বিরুদ্ধে ৪০উর্ধ নারীকে কু-প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গত বুধবার (২৩ অক্টোবর) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট এ সংক্রান্ত লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন গাড়ীদহ ইউনিয়ন পরিষদে কর্মরত গ্রাম পুলিশ জহুরুল ইসলাম এর স্ত্রী মরিয়ম বেগম (৫০)।

গ্রাম পুলিশ জহুরুল ইসলাম এর স্ত্রী মরিয়ম বেগম (৫০) গাড়িদহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ দবিরউদ্দিন এর বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহন ও বগুড়ার শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অফিসের অফিস সহকারি কাম কম্পিউটার অপারেটর মো. সেকেন্দার আলী (৫৫) এর বিরুদ্ধে তাকে কু-প্রস্তাব দেওয়ার কথা উল্লেখ করে বুধবার (২৩ অক্টোবর) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট একটি রহস্য জনক লিখিত অভিযোগ দেন।

এ অভিযোগ কতেটুকু সত্য তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে স্থানীয়দের মাঝে।

জানা গেছে, বগুড়া জেলার শেরপুর উপজেলার গাড়িদহ ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ দবিরউদ্দিন এর বিরুদ্ধে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণ ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে কর্মরত কর্মচারী মোঃ সেকেন্দার আলীর বিরুদ্ধে কুপ্রস্তাব দেওয়ার মত রহস্য জনক অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অফিসের অফিস সহকারি কাম কম্পিউটার অপারেটর সেকেন্দার আলী জানান, অভিযোগটি সম্পুর্ণ মিথ্যা। তিনি বলেন, এটা আমার বিরুদ্ধে একটি সরযন্ত্র আমার মান সম্মান ক্ষুণ্ন করার জন্য এ অভিযোগ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে মো. সেকেন্দার আলীর পরিবার ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, সেকেন্দারের অতীত জীবনে এমন কোন ঘটনার আলামত পাওয়া যায়নি । অভিযোগটি সরযন্ত্র কিনা তা খতিয়ে দেখা দরকার।

অভিযোগ সম্পর্কে গাড়িদহ ইউপির চন্ডীযান গ্রামে সরেজমিনে অনুসন্ধানে গেলে, মুদি ব্যবসায়ী মোঃ শফিকুল ইসলাম (২৭), মোঃ আব্দুস সামাদ(৪২), রিকশাচালক বিজয় (কুমার) (৪২), আসিয়া বেওয়া(৪২),স্কুল ছাত্র মুরাদ ও গ্রাম পুলিশ মোঃ আবু সাইদ সহ স্থনীয়রা জানায়, গ্রাম্য পুলিশ জহুরুল ইসলাম এর স্ত্রী মরিয়ম বেগম (৫০) এর বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, তিনি অনৈতিক ব্যাবসার সাথে জড়িত।

এ নিয়ে বগুড়ার শেরপুরে ব্যপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে । বিশেষ করে স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে মো. সেকেন্দার আলী কে ফাসানো হচ্ছে কি না বিষটি খতিয়ে দেখা দরকার বলে মনে করেন স্থানীয়দের অনেকেই ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *