স্টাফ রিপোর্টার :  বগুড়ার শেরপুর উপজেলা হাজিপুর নামক স্থানে নির্মিত মডেল মসজিদ উদ্বোধন করা হয়েছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বগুড়া জেলা শাখার সভাপতি এবং শেরপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান মজনু, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) সালাউদ্দিন আহম্মেদ, শেরপুর পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব জানে আলম খোকা, উপজেলা সহকারি কমিশনার(ভূমি) শাবরিনা সারমিন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শাহ জামাল সিরাজী, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আব্দুস সাত্তার, সহ-সভাপতি আলহাজ্ব এ্যাড. গোলাম ফারুক, শহর আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব মকবুল হোসেন, শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ শহিদুল ইসলাম প্রমুখসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, শিক্ষাবিদ, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, ইমান-মুয়াজ্জিনরা উপস্থিত ছিলেন।
সারাদেশের ৫৬০ টি মডেল মসজিদের মধ্যে মুজিববর্ষ উপলক্ষে ৫০টি মডেল মসজিদ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আজ উদ্বোধন করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শুধু নামাজ আদায় নয়, ইসলামি গবেষণা, সংস্কৃতি ও জ্ঞানচর্চার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে মসজিদ ব্যবহার করা মুসলিমদের ঐতিহ্য। যদিও মসজিদগুলো এখন ব্যবহৃত হয় শুধু নামাজের জন্যই। সেই ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে এবার দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় দৃষ্টিনন্দন ৫৬০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণ করছে সরকার।
এর মধ্যে মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে প্রথম পর্যায়ে আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি ৫০টি মডেল মসজিদ আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর মাধ্যমে সাফল্যের মুখ দেখবে ইসলাম চর্চায় বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার উদ্যোগ। এটাই হচ্ছে বিশ্বে প্রথম কোনো সরকারের একই সময়ে এত বিপুলসংখ্যক মসজিদ নির্মাণের ঘটনা। এর মধ্য দিয়ে ইসলামকে পুরোপুরি জানার ফলে ধর্মান্ধতা, উগ্রতা ও জঙ্গিবাদে জড়িয়ে পড়ার ঘটনা কমে আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন আলেম-ওলামারা।
আরব বিশ্বের মসজিদ কাম ইসলামিক কালচারাল সেন্টারের আদলে এসব মসজিদ নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রতিটি মসজিদের জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে আনুমানিক ১৪ কোটি টাকা। আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সংবলিত সুবিশাল এসব মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্সে নারী ও পুরুষের আলাদা অজু ও নামাজ আদায়ের সুবিধা, লাইব্রেরি, গবেষণাকেন্দ্র, ইসলামিক বই বিক্রয়কেন্দ্র, কোরআন হেফজ বিভাগ, শিশু শিক্ষা, অতিথিশালা, বিদেশি পর্যটকদের আবাসন, মৃতদেহ গোসলের ব্যবস্থা, হজযাত্রীদের নিবন্ধন ও প্রশিক্ষণ, ইমামদের প্রশিক্ষণ, অটিজম কেন্দ্র, গণশিক্ষাকেন্দ্র, ইসলামি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র থাকবে।
এছাড়া ইমাম-মুয়াজ্জিনের আবাসনসহ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য অফিসের ব্যবস্থা এবং গাড়ি পার্কিংয়ের সুবিধা রাখা হয়েছে। ৪০ শতাংশ জায়গার ওপর তিন ক্যাটাগরিতে এই মসজিদগুলো নির্মাণ করা হচ্ছে। জেলা পর্যায়ে চারতলা, উপজেলার জন্য তিনতলা এবং উপকূলীয় এলাকায় চারতলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সংস্কৃতিকেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে।
Spread the love
  •  
  • 397
  •  
  •  
  •  
  •  

By Editor

Leave a Reply