নিয়ামতপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ সকাল হলেই অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ, মিথ্যা অপবাদ, শব্দ দূষণে এলাকা বসবাসের অযোগ্য করে তোলা। ঘটনাগুলো নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ঐ এলাকায় বসবাসরত একটি নিরিহ পরিবার অতিষ্ঠ হয়ে পড়েেছ বসবাসে। সরকারী রাস্তার জায়গার উপর বাড়ী করে আছে, তার উপর স্থায়ী বসবাসরত নিরিহ পরিবারকে প্রতি নিয়ত অত্যাচার। ঘটনাটি উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের টগরইল হুচুকপাড়ায়। অতিষ্ঠি হয়ে প্রতিকার চেয়ে ভুক্তভোগী পরিবার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের টগরইল গ্রামের অত্যান্ত নিরিহ ব্যক্তি মৃত- হাসুমুদ্দিনের ছেলে সালেক। সে রসুলপুর ইউনিয়নের টগরইল মৌজার ১৪৮৬ দাগের জমি ৩৫ বছর আগে ক্রয়সূত্রে ভোগ দখল করে আসছেন।

১৫ বছর পূর্বে বাড়ী করে বসবাস করছেন। কিন্তু একই গ্রামের ভূমিহীন আবুল হোসেনের ছেলে আলিম সরকারী রাস্তার জায়গা একই গ্রামের মৃত- সইমুদ্দিনের ছেলে মজিবুল হকের নিকট হতে মৌখিকভাবে ক্রয় করে বাড়ী নির্মাণ করে বসবাস করছে। আলিম রাস্তার জায়গা অবৈধভাবে দখল করে বাড়ী করে আসছে আবার নিজস্ব সম্পত্তির উপর বসবাসরত সালেক ও তার পরিবারকে বিভিন্নভাবে অন্যায় অত্যাচার করে আসছে।

ভুক্তভোগী সালেক এ প্রতিবেদককে বলেন, আমি ৩৫ বছর পূর্বে ১৪৮৬ দাগের সম্পত্তি ক্রয় করি। ১৫ বছর পূর্বে বাড়ী করে শান্তপূর্ণভাবে বসবাস করে আসছি। কিন্তু ভূমিহীন আলিম আমার বাড়ীর পাশে সরকারী রাস্তার উপর বাড়ী করে আমার বাড়ীর সামনে রাস্তার জায়গাও জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করছে। শুধু রাস্তার জায়গা দখল নয় বিভিন্নভাবে আমার ও আমার পরিবারের উপর অন্যায় অত্যাচার করে চলেছে।

অকথ্যভাষায় প্রতি নিয়ত গালি গালাজ, বাড়ীর আশ পাশে ময়লা আবর্জনা ফেলে পরিবেশ দূষণসহ চলাফেরাতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি ইত্যাদি। বলতে গেলে মারমুখী হয়ে উঠে। আমি সাদাসিধে ব্যক্তি। তাই প্রতিকার চেয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। তারপরেও পুলিশ প্রশাসন এখন পর্যন্ত কোন পদক্ষেপ গ্রহন করেন নাই।

আলিমের স্ত্রী নূরজাহান বলেন, আমরা মৃত- সইমুদ্দিনের ছেলে মজিবুলের কাছ থেকে মৌখিকভাবে ৩০ হাজার টাকায় রাস্তার জায়গা ক্রয় করে বাড়ী করে বসবাস করছি। আমাদের কাছে কোন লিখিত কাগজ নাই।

এ বিষয়ে থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) তহছেন আলী বলেন, যেহেতু জায়গা সরকারের তাই আমার কোন কিছু করার নাই। বিষয়টি উপজেলা ভূমি অফিস দেখবেন।

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

By Editor

Leave a Reply