ঢাকা ১২:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ২৮ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বগুড়ার সান্তাহারে ৭২ হাজার টাকার জাল নোটসহ একজন গ্রেপ্তার জেলা যুবলীগের আয়োজনে ইফতার বিতরণ আদমদীঘিতে স্বামী স্ত্রীকে হত্যার উদ্দেশ্যে মারপিট মামলায় আরো দুইজন গ্রেফতার আদমদীঘিতে ট্রাকের ধাক্কায় একজন নিহত সিরাজদিখানে স্মার্ট বাংলাদেশ বাস্তবায়নে শিক্ষকদের করণীয় শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ধুনট থিয়েটারের আয়োজনে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত বগুড়ায় ঔষধ বাজারে সয়লাব বিক্রি নিষিদ্ধ ফিজিশিয়ান স্যাম্পলে সিরাজগঞ্জে বিশ্ব নাট্য দিবস পালিত মনন সাহিত্য সংগঠনের পাক্ষিক অধিবেশন এবং ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত বগুড়ায় সিএনজি চালিত গাড়ির সিলিন্ডার রি-টেস্টিং শতভাগ নিশ্চিত করা সময়েরদাবী গোমস্তাপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত নওগাঁয় সর্প দংশনে এক শিশুর মৃত্যু ( প্রতীকি ছবি) বগুড়ায় ধর্ষণের ঘটনা ধামা চাপা দিতে তামিমকে হত্যা করা হয়েছিলো বগুড়ায় তুচ্ছ ঘটনায় একজন ছুরিকাঘাত বাজার এলাকায় উত্তেজনা হলে ইউএনও ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এসে পরিস্থিতি শান্ত করেন। নওগাঁয় প্রভাবশাী ক্ষমতাবলে দীর্ঘ ৩ মাস ধরে গৃহবন্দী পরিবার নওগাঁয় ভূমি অফিসে অভিযান দালাল চক্রের সদস্যকে অর্থদণ্ড নওগাঁর বিভিন্ন দোকানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান ব্যবসায়ীকে জরিমানা বগুড়ায় ট্রাক ও অটোরিক্সার মুখোমুখি সংঘর্ষে একই পরিবারের ৩ জনসহ নিহত ৪ আহত ২ আদমদীঘিতে শ্বাশুড়ীকে খুনের মামলায় জামাই প্রেফতার নওগাঁয় মাদক ও অসামাজিক কাজ বন্ধের মানববন্ধন টাঙ্গাইলের মধুপুরে কবর থেকে ৫টি কঙ্কাল চুরি

দুর্নীতির দায়ে এবার চাকরি হারালেন সহকারী পুলিশ সুপার !

দৃষ্টি প্রতিদিন, ডেস্ক রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ০৬:২৩:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুলাই ২০২৪ ২০০ বার পড়া হয়েছে

দুর্নীতি ও অসদাচরণের দায়ে চাকরি হারালেন পুলিশ বাহিনীর একজন সহকারী পুলিশ সুপার। ওই পুলিশ কর্মকর্তার নাম ইয়াকুব হোসেন। তিনি ২০১৩ সালের শেষে ৩৩ বিসিএসের মাধ্যমে পুলিশ ক্যাডারে যোগ দিয়েছিলেন।

রবিবার (৩০ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে তাকে বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়ার কথা জানানো হয়।

এএসপি ইয়াকুব সর্বশেষ রাজশাহীর সারদা পুলিশ একাডেমিতে কর্মরত ছিলেন।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ইয়াকুব হোসেন আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার অসৎ উদ্দেশ্যে একটি টিম গঠন করেন। এই টিমের সদস্য ছিলেন এসআই জীবন বিশ্বাস, কনস্টেবল আল আমিন, কনস্টেবল মো. আবদুস সবুর, গাড়িচালক কনস্টেবল সামিউল ও কনস্টেবল অনিক।

এতে বলা হয়, ২০১৯ সালের ১৯ জানুয়ারি রাতে এই দলের সদস্য জীবন বিশ্বাস, আল আমিন ও সবুর পরিকল্পনা অনুযায়ী মিরপুর পৌর শহরের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের লিপি কমিশনারের বাড়িতে আকস্মিকভাবে ঢুকে পড়েন। সেখানে মায়া নামের এক নারীর সঙ্গে মো. আশরাফ হোসেন ও মো. শামীম রেজা অবস্থান করছিলেন। পুলিশ সদস্যরা ওই দুইজনকে “অবৈধ কাজ করার অভিযোগে” হ্যান্ডকাফ পড়িয়ে বেধড়ক মারধর করে এবং অর্ধনগ্ন অবস্থায় তাদের ছবি তোলেন।

পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে, পরে মিরপুর বাজারের এমএসএফ (মুঠোফোনে অর্থ লেনদেন) ব্যবসায়ী সোহেল রানার মাধ্যমে ওই দুইজনের কাছ থেকে এক লাখ টাকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেন।

“তৎকালীন এএসপি ইয়াকুব এই বিষয়টি অবগত থাকার পরেও আইনানুগ ব্যবস্থা না নিয়ে তাদের অপকর্মে সহায়তা করেছেন”- বলেও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, ২০২০ সালের ৯ নভেম্বর ইয়াকুব হোসেনের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮–এর বিধি ৩(খ) ও ৩(ঘ) অনুযায়ী অসদাচরণ ও দুর্নীতির অভিযোগে অভিযোগনামা ও অভিযোগ বিবরণী জারি করা হয়। পরে ওই বিভাগীয় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। তদন্ত প্রতিবেদনে ইয়াকুব হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলে মতামত পাওয়া যায়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব মো. জাহাংগীর আলম স্বাক্ষরিত ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বিধি অনুযায়ী “অসদাচরণ” ও “দুর্নীতির” অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদের “বাধ্যতামূলক অবসর প্রদান” গুরুদণ্ডের বিষয়ে সম্মতি দেন রাষ্ট্রপতি। এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ads

দুর্নীতির দায়ে এবার চাকরি হারালেন সহকারী পুলিশ সুপার !

আপডেট সময় : ০৬:২৩:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুলাই ২০২৪

দুর্নীতি ও অসদাচরণের দায়ে চাকরি হারালেন পুলিশ বাহিনীর একজন সহকারী পুলিশ সুপার। ওই পুলিশ কর্মকর্তার নাম ইয়াকুব হোসেন। তিনি ২০১৩ সালের শেষে ৩৩ বিসিএসের মাধ্যমে পুলিশ ক্যাডারে যোগ দিয়েছিলেন।

রবিবার (৩০ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে তাকে বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়ার কথা জানানো হয়।

এএসপি ইয়াকুব সর্বশেষ রাজশাহীর সারদা পুলিশ একাডেমিতে কর্মরত ছিলেন।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ইয়াকুব হোসেন আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার অসৎ উদ্দেশ্যে একটি টিম গঠন করেন। এই টিমের সদস্য ছিলেন এসআই জীবন বিশ্বাস, কনস্টেবল আল আমিন, কনস্টেবল মো. আবদুস সবুর, গাড়িচালক কনস্টেবল সামিউল ও কনস্টেবল অনিক।

এতে বলা হয়, ২০১৯ সালের ১৯ জানুয়ারি রাতে এই দলের সদস্য জীবন বিশ্বাস, আল আমিন ও সবুর পরিকল্পনা অনুযায়ী মিরপুর পৌর শহরের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের লিপি কমিশনারের বাড়িতে আকস্মিকভাবে ঢুকে পড়েন। সেখানে মায়া নামের এক নারীর সঙ্গে মো. আশরাফ হোসেন ও মো. শামীম রেজা অবস্থান করছিলেন। পুলিশ সদস্যরা ওই দুইজনকে “অবৈধ কাজ করার অভিযোগে” হ্যান্ডকাফ পড়িয়ে বেধড়ক মারধর করে এবং অর্ধনগ্ন অবস্থায় তাদের ছবি তোলেন।

পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে, পরে মিরপুর বাজারের এমএসএফ (মুঠোফোনে অর্থ লেনদেন) ব্যবসায়ী সোহেল রানার মাধ্যমে ওই দুইজনের কাছ থেকে এক লাখ টাকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেন।

“তৎকালীন এএসপি ইয়াকুব এই বিষয়টি অবগত থাকার পরেও আইনানুগ ব্যবস্থা না নিয়ে তাদের অপকর্মে সহায়তা করেছেন”- বলেও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, ২০২০ সালের ৯ নভেম্বর ইয়াকুব হোসেনের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮–এর বিধি ৩(খ) ও ৩(ঘ) অনুযায়ী অসদাচরণ ও দুর্নীতির অভিযোগে অভিযোগনামা ও অভিযোগ বিবরণী জারি করা হয়। পরে ওই বিভাগীয় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। তদন্ত প্রতিবেদনে ইয়াকুব হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলে মতামত পাওয়া যায়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব মো. জাহাংগীর আলম স্বাক্ষরিত ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বিধি অনুযায়ী “অসদাচরণ” ও “দুর্নীতির” অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদের “বাধ্যতামূলক অবসর প্রদান” গুরুদণ্ডের বিষয়ে সম্মতি দেন রাষ্ট্রপতি। এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।