ঢাকা ১০:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ৩০ চৈত্র ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বগুড়ার সান্তাহারে ৭২ হাজার টাকার জাল নোটসহ একজন গ্রেপ্তার জেলা যুবলীগের আয়োজনে ইফতার বিতরণ আদমদীঘিতে স্বামী স্ত্রীকে হত্যার উদ্দেশ্যে মারপিট মামলায় আরো দুইজন গ্রেফতার আদমদীঘিতে ট্রাকের ধাক্কায় একজন নিহত সিরাজদিখানে স্মার্ট বাংলাদেশ বাস্তবায়নে শিক্ষকদের করণীয় শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ধুনট থিয়েটারের আয়োজনে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত বগুড়ায় ঔষধ বাজারে সয়লাব বিক্রি নিষিদ্ধ ফিজিশিয়ান স্যাম্পলে সিরাজগঞ্জে বিশ্ব নাট্য দিবস পালিত মনন সাহিত্য সংগঠনের পাক্ষিক অধিবেশন এবং ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত বগুড়ায় সিএনজি চালিত গাড়ির সিলিন্ডার রি-টেস্টিং শতভাগ নিশ্চিত করা সময়েরদাবী গোমস্তাপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত বগুড়ায় রাবেয়া পার্কের গুন্ডাবাহিনীর তান্ডব সিরাজদিখানে ঈদ পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মঈনুল হাসান নাহিদ ধুনটে মাদক ব্যবসায়ীর স্বরণে বাউল সংগীতের আয়োজনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের আশঙ্কা ধুনটে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচ অনুষ্ঠিত এতিম শিশুদের মুখে হাসি, এতিমখানায় ঈদ উদযাপন মধুপুরের ইদিলপুরে ঈদ পুনর্মিলনী ও গ্র্যান্ড মিট- আপ-২০২৪ অনুষ্ঠিত বগুড়ায় পুলিশের ওপর ‘ককটেল হামলা’, দুই পুলিশ সদস্য আহত গোমস্তাপুরে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত -১,আহত-২ বগুড়ায় কেন্দ্রীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে এস ইউ এস বি শেরপুর শাখার উদ্যোগ পএিকা বিক্রেতাদের মাঝে ঈদ সামগ্রী

আদমদীঘিতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩৮ টি প্রধান শিক্ষকের পদশূন্য

আদমদিঘী (বগুড়া) প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৪:৩০:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ এপ্রিল ২০২৪ ৭৬ বার পড়া হয়েছে

আদমদিঘী (বগুড়া) প্রতিনিধি:

বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলায় ৯৮টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৩৮ টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই। দির্ঘদিন ধরে এই বিদ্যালয় গুলিতে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য অবস্থায় আছে।

ওই ৩৮ টি বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে চালোনো হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম। আর সহকারি শিক্ষকের পদ শুন্য আছে ৩৯ টি । ৯৮ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মধ্যে ৪৭জন দপ্তরি কর্মরত আছেন। বাকী দপ্তরির পদ শুন্য।

ফলে প্রশাসনিক কার্যক্রম সহ শিক্ষার্থীদের পড়াশুনা বিঘ্নিত হচ্ছে। দেখা দিচ্ছে নানা জটিলতা। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, আদমদীঘি উপজেলায় মোট ৯৮টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে ৩৮ টি বিদ্যালয়েই প্রধান শিক্ষকের পদ দির্ঘদিন যাবৎ শূন্য রয়েছে।

প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদ গুলি হলো, উপজেলার ছাতনি
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,ঢেকড়া সরকারি প্রাথমিক, মালসন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, প্রান্নাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, উজ্জলতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয, দত্তবাড়িয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নশরৎপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হলুধঘর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তিলচ শিববাাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ছাতুয়া-সিংড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শিববাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,আমইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় , তারতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মিতইল সরকারি
প্রাথমিক বিদ্যালয়, গোবিন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চেচিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভেনলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বিহিগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, জিনইর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,মুরইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নশরৎপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, লক্ষিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,ডুমুরিগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,তিলচ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রভৃতি।

এসব বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক না থাকায় একজন সহকারী শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসাবে দায়িত্ব দিয়ে চালানো হচ্ছে দাপ্তরিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম। এ ছাড়াও এই উপজেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩৯টি সহকারী শিক্ষকের পদও শূন্য আছে।

এ ছাড়া আদমদীঘি উপজেলার অনেক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরির পদও শূণ্য আছে। এ ছাড়া প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) পদে দায়িত্ব পালন করছেন কয়েকজন। উপজেলার কয়েকজন অভিভাবক বলেন.ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকরা প্রায় দিনই উপজেলা সদরে যান দাপ্তরিক কাজ সারতে। এতে কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশুনা বিঘ্নিত হচ্ছে।

উপজেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাবেক সাধারন সম্পাদক মোঃ জাহেদুর রহমান জানান উপজেলার প্রধান শিক্ষকের শূন্যপদ পূরনের জন্য আমরা বিভিন্ন প্রচেষ্ঠা চালিয়েছি। অচিরেই এই সকল প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদ পূরনের জন্য আমরা জোর দাবি জানাচ্ছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ads

আদমদীঘিতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩৮ টি প্রধান শিক্ষকের পদশূন্য

আপডেট সময় : ০৪:৩০:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ এপ্রিল ২০২৪

আদমদিঘী (বগুড়া) প্রতিনিধি:

বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলায় ৯৮টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৩৮ টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই। দির্ঘদিন ধরে এই বিদ্যালয় গুলিতে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য অবস্থায় আছে।

ওই ৩৮ টি বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে চালোনো হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম। আর সহকারি শিক্ষকের পদ শুন্য আছে ৩৯ টি । ৯৮ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মধ্যে ৪৭জন দপ্তরি কর্মরত আছেন। বাকী দপ্তরির পদ শুন্য।

ফলে প্রশাসনিক কার্যক্রম সহ শিক্ষার্থীদের পড়াশুনা বিঘ্নিত হচ্ছে। দেখা দিচ্ছে নানা জটিলতা। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, আদমদীঘি উপজেলায় মোট ৯৮টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে ৩৮ টি বিদ্যালয়েই প্রধান শিক্ষকের পদ দির্ঘদিন যাবৎ শূন্য রয়েছে।

প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদ গুলি হলো, উপজেলার ছাতনি
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,ঢেকড়া সরকারি প্রাথমিক, মালসন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, প্রান্নাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, উজ্জলতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয, দত্তবাড়িয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নশরৎপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হলুধঘর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তিলচ শিববাাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ছাতুয়া-সিংড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শিববাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,আমইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় , তারতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মিতইল সরকারি
প্রাথমিক বিদ্যালয়, গোবিন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চেচিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভেনলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বিহিগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, জিনইর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,মুরইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নশরৎপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, লক্ষিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,ডুমুরিগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,তিলচ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রভৃতি।

এসব বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক না থাকায় একজন সহকারী শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসাবে দায়িত্ব দিয়ে চালানো হচ্ছে দাপ্তরিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম। এ ছাড়াও এই উপজেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩৯টি সহকারী শিক্ষকের পদও শূন্য আছে।

এ ছাড়া আদমদীঘি উপজেলার অনেক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরির পদও শূণ্য আছে। এ ছাড়া প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) পদে দায়িত্ব পালন করছেন কয়েকজন। উপজেলার কয়েকজন অভিভাবক বলেন.ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকরা প্রায় দিনই উপজেলা সদরে যান দাপ্তরিক কাজ সারতে। এতে কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশুনা বিঘ্নিত হচ্ছে।

উপজেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাবেক সাধারন সম্পাদক মোঃ জাহেদুর রহমান জানান উপজেলার প্রধান শিক্ষকের শূন্যপদ পূরনের জন্য আমরা বিভিন্ন প্রচেষ্ঠা চালিয়েছি। অচিরেই এই সকল প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদ পূরনের জন্য আমরা জোর দাবি জানাচ্ছি।