ঢাকা ১২:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ২৮ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বগুড়ার সান্তাহারে ৭২ হাজার টাকার জাল নোটসহ একজন গ্রেপ্তার জেলা যুবলীগের আয়োজনে ইফতার বিতরণ আদমদীঘিতে স্বামী স্ত্রীকে হত্যার উদ্দেশ্যে মারপিট মামলায় আরো দুইজন গ্রেফতার আদমদীঘিতে ট্রাকের ধাক্কায় একজন নিহত সিরাজদিখানে স্মার্ট বাংলাদেশ বাস্তবায়নে শিক্ষকদের করণীয় শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ধুনট থিয়েটারের আয়োজনে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত বগুড়ায় ঔষধ বাজারে সয়লাব বিক্রি নিষিদ্ধ ফিজিশিয়ান স্যাম্পলে সিরাজগঞ্জে বিশ্ব নাট্য দিবস পালিত মনন সাহিত্য সংগঠনের পাক্ষিক অধিবেশন এবং ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত বগুড়ায় সিএনজি চালিত গাড়ির সিলিন্ডার রি-টেস্টিং শতভাগ নিশ্চিত করা সময়েরদাবী গোমস্তাপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত নওগাঁয় সর্প দংশনে এক শিশুর মৃত্যু ( প্রতীকি ছবি) বগুড়ায় ধর্ষণের ঘটনা ধামা চাপা দিতে তামিমকে হত্যা করা হয়েছিলো বগুড়ায় তুচ্ছ ঘটনায় একজন ছুরিকাঘাত বাজার এলাকায় উত্তেজনা হলে ইউএনও ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এসে পরিস্থিতি শান্ত করেন। নওগাঁয় প্রভাবশাী ক্ষমতাবলে দীর্ঘ ৩ মাস ধরে গৃহবন্দী পরিবার নওগাঁয় ভূমি অফিসে অভিযান দালাল চক্রের সদস্যকে অর্থদণ্ড নওগাঁর বিভিন্ন দোকানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান ব্যবসায়ীকে জরিমানা বগুড়ায় ট্রাক ও অটোরিক্সার মুখোমুখি সংঘর্ষে একই পরিবারের ৩ জনসহ নিহত ৪ আহত ২ আদমদীঘিতে শ্বাশুড়ীকে খুনের মামলায় জামাই প্রেফতার নওগাঁয় মাদক ও অসামাজিক কাজ বন্ধের মানববন্ধন টাঙ্গাইলের মধুপুরে কবর থেকে ৫টি কঙ্কাল চুরি

আদমদিঘীতে বিলুপ্তির পথে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী খেলা

মো: সজীব হাসান,( আদমদিঘী) প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০১:২৫:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুলাই ২০২৪ ৩৮ বার পড়া হয়েছে

নতুন প্রজন্মের কাছে এসব ছড়া একেবারেই অপরিচিত। এসব খেলাধুলা একসময় আমাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য বহন করত। কালের বিবর্তনে অজপাড়া গাঁয়েও বহুল প্রচলিত কাপাডি, দাঁড়িয়াবান্ধা, গোল্লাছুট, কানামাছি প্রভৃতি খেলার প্রচলন যেন হারাতে বসেছে হা-ডু-ডু,ডাঙ্গুলি,গোছত তোলা, চিক্কা, কুতকুত, ল্যাংচা, বোমবাষ্ঠিং, হাঁড়িভাঙা, বৌছি, কাঠি ছোয়াঁ, দড়ি লাফানো, বরফ পানি, দড়ি টানাটানি, চেয়ার সিটিং, রুমাল চুরি, চোখ বোজা, ওপেন্টি বায়স্কোপ, এক্কা-দোক্কা, এলাটিং বেলাটিং, আগডুম বাগডুম, ইচিং বিচিং, ইকড়ি মিকড়ি, ঝুম ঝুমা ঝুম, নোনতা বলরে, কপাল টোকা, বউরানী ছক্কা, লাঠিখেলা, বলী খেলা, আইচ্চা ভাঙা, রাম শাম যদু মধু, চোর-ডাকাত, মার্বেল, সাতচড়া,ষোলগুটি, চিল মোড়ক, বোঝাবুঝি,বদন, লাফালাফি, ডালিম খেলা, তাশ খেলা,দাবা খেলা ইত্যাদি। সান্তাহার ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য শিপলু খান জানান গ্রাম বাংলার এসব খেলাধুলা ক্রমেই হারিয়ে যাচ্ছে। ঐতিহ্যবাহি এসব খেলাধুলা হারিয়ে যাচ্ছে। এসব খেলাধুলা এখন আর তেমন কোথাও চোখে পড়ে না। নতুন প্রজন্মের কাছে এগুলো এখন শুধুই গল্প। মাঠে খেলতে না গিয়ে এখনকার শিশু, কিশোররা মোবাইলে বা কম্পিউটারে ভিডিও গেমস খেলে। সান্তাহার ইতিহাস লেখক,গবেষক সাজেদুল ইসলাম জানান , মহামারি করোনার কারনে স্কুল-কলেজ দির্ঘদিন বন্ধ ছিল। এই বন্ধ সময় ঐতিহ্যবাহি গ্রাম বাংলার খেলাগুলি হারিয়ে যাবার ফলে অনেক শিক্ষার্থীরা পর্যন্ত এসব খেলা না খেলে প্রায় সারাটা দিন মোবাইলে ফ্রি-ফায়ার,পাবজি গেমস খেলেছে। ফলে কিশোর অপরাধ বেড়ে গেছে। আমাদের উচিত হবে পুরোনো সেসব খেলা আবার ফিরে আনা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ads

আদমদিঘীতে বিলুপ্তির পথে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী খেলা

আপডেট সময় : ০১:২৫:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুলাই ২০২৪

নতুন প্রজন্মের কাছে এসব ছড়া একেবারেই অপরিচিত। এসব খেলাধুলা একসময় আমাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য বহন করত। কালের বিবর্তনে অজপাড়া গাঁয়েও বহুল প্রচলিত কাপাডি, দাঁড়িয়াবান্ধা, গোল্লাছুট, কানামাছি প্রভৃতি খেলার প্রচলন যেন হারাতে বসেছে হা-ডু-ডু,ডাঙ্গুলি,গোছত তোলা, চিক্কা, কুতকুত, ল্যাংচা, বোমবাষ্ঠিং, হাঁড়িভাঙা, বৌছি, কাঠি ছোয়াঁ, দড়ি লাফানো, বরফ পানি, দড়ি টানাটানি, চেয়ার সিটিং, রুমাল চুরি, চোখ বোজা, ওপেন্টি বায়স্কোপ, এক্কা-দোক্কা, এলাটিং বেলাটিং, আগডুম বাগডুম, ইচিং বিচিং, ইকড়ি মিকড়ি, ঝুম ঝুমা ঝুম, নোনতা বলরে, কপাল টোকা, বউরানী ছক্কা, লাঠিখেলা, বলী খেলা, আইচ্চা ভাঙা, রাম শাম যদু মধু, চোর-ডাকাত, মার্বেল, সাতচড়া,ষোলগুটি, চিল মোড়ক, বোঝাবুঝি,বদন, লাফালাফি, ডালিম খেলা, তাশ খেলা,দাবা খেলা ইত্যাদি। সান্তাহার ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য শিপলু খান জানান গ্রাম বাংলার এসব খেলাধুলা ক্রমেই হারিয়ে যাচ্ছে। ঐতিহ্যবাহি এসব খেলাধুলা হারিয়ে যাচ্ছে। এসব খেলাধুলা এখন আর তেমন কোথাও চোখে পড়ে না। নতুন প্রজন্মের কাছে এগুলো এখন শুধুই গল্প। মাঠে খেলতে না গিয়ে এখনকার শিশু, কিশোররা মোবাইলে বা কম্পিউটারে ভিডিও গেমস খেলে। সান্তাহার ইতিহাস লেখক,গবেষক সাজেদুল ইসলাম জানান , মহামারি করোনার কারনে স্কুল-কলেজ দির্ঘদিন বন্ধ ছিল। এই বন্ধ সময় ঐতিহ্যবাহি গ্রাম বাংলার খেলাগুলি হারিয়ে যাবার ফলে অনেক শিক্ষার্থীরা পর্যন্ত এসব খেলা না খেলে প্রায় সারাটা দিন মোবাইলে ফ্রি-ফায়ার,পাবজি গেমস খেলেছে। ফলে কিশোর অপরাধ বেড়ে গেছে। আমাদের উচিত হবে পুরোনো সেসব খেলা আবার ফিরে আনা।